আমাদের ভারত, ৭ ডিসেম্বর: দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন চলার পর কৃষকদের দাবি মেনে কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণা করেছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তারপরেও বিক্ষোভ থেকে সরে আসেননি কৃষকরা। এরপর প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া কথা মতো সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরুর প্রথম দিনই কৃষি আইন প্রত্যাহারের বিল পাশ হয়ে যাওয়ার পরেও আন্দোলনে ইতি টানার কথা বলেননি তারা। এবার কৃষি আইন প্রত্যাহার ছাড়াও বাকি দাবি সরকার মানতে রাজি হয়েছে জেনে আন্দোলনে ইতি টানার ইঙ্গিত দিলেন আন্দোলন রত কৃষকরা।
কেন্দ্রের তরফে কৃষকদের বেশির ভাগ দাবি পূরণের বার্তা দেওয়া হয়েছে, তাই দীর্ঘ ১৫ মাস পর দিল্লি সীমানা থেকে ধর্না তুলে কৃষকরা গ্রামে ফিরতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন কৃষক নেতৃত্ব। কৃষি আইন প্রত্যাহার ছাড়াও মূলত পাঁচটি দাবি ছিল কৃষকদের। আন্দোলনকারী কৃষকদের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষান মোর্চা সূত্রে খবর, বুধবার দুপুর দুটোয় সিঙ্ঘু সীমানায় আনুষ্ঠানিকভাবে কৃষক আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করা হতে পারে।
কেন্দ্রের তরফে ইতিমধ্যেই আন্দোলনকারী কৃষকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, মৃত কৃষকদের পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার মতো একাধিক দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এছাড়াও নূন্যতম সহায়ক মূল্যের নিশ্চয়তার দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
কৃষকদের দাবি নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার বলে জানা গেছে। গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কৃষকদের দাবিগুলি বিবেচনার কথা জানিয়ে ফোন করেছিলেন। এরপরই কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করে সংযুক্ত কিষান মোর্চা। মঙ্গলবার সেই কমিটির বৈঠকে আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

