ঝাড়গ্রামে বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে “কৃষক সচেতনতা প্রোগ্রাম”

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, ঝাড়গ্রাম, ৩ আগস্ট: ভারত সরকার ২০২৩ সালকে আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ হিসাবে উদযাপন করার প্রস্তাব করেছে। বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র, ঝাড়গ্রাম) এর উদ্যোগে এবং অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার রেশমি গ্ৰুপ অফ ইন্ডাষ্ট্রির সামাজিক প্রকল্পের সহযোগিতায় আজ রেড অ্যান্ড লেটারাইট জোনে মিলেট চাষের সম্ভাবনা, পদ্ধতি এবং চ্যালেঞ্জগুলি সম্পর্কে “কৃষক সচেতনতা প্রোগ্রাম”- এর আয়োজন করেছে৷ মিলেট জাতীয় খাদ্যশস্য চাষের সম্ভাবনা, পদ্ধতি এবং চ্যালেঞ্জগুলির উপর নির্ভর করে আজ ঝাড়গ্রামের জুয়ালভাঙা গ্রামে “কৃষক সচেতনতা প্রোগ্রাম” অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষকদের সচেতনতার জন্য এই কর্মসূচির নেওয়া হয়।

বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝাড়গ্রাম আঞ্চলিক কেন্দ্রের কৃষি বিজ্ঞানী ডক্টর গোলাম মইনুদ্দিন জানান, লাল মাটির জঙ্গলমহল এলাকায় মিলেট জাতীয় খাদ্যশস্য চাষের উত্তম পরিবেশ আছে। এই চাষের দ্বারা কৃষকদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। আজকের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ডঃ সোমা বিশ্বাস, গোলাম মঈনুদ্দিন, ডঃ শুভেন্দু জোশ, ডঃ গৌতম চক্রবর্তী, ডঃ ধীমান মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিরা। রেশমি গ্ৰুপ অফ ইন্ডাষ্ট্রির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট দেবজিৎ কর এবং সামাজিক প্রকল্পের ম্যানেজার শমিক বসু।

আজকের কর্মসূচি থেকে স্থানীয় কৃষকরা জানান, আমরা এই নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। আমাদের এখানে বর্ষার সময় ছাড়া অন্য সময় চাষের উপযোগী জল পাওয়া যায় না, সেই সময় কম জলে ধানের বিকল্প হিসেবে এই চাষ করে যদি স্বাবলম্বী হতে পারা যায় তবে কোনো ক্ষতি নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *