জে মাহাতো, আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ২২ মে: মেদিনীপুর শহরে পদ্মাবতী বৈদ্যুতিক চুল্লি বিকল হয়ে পড়ায় করোনা রোগীদের মৃতদেহ দাহ করতে সমস্যায় পড়েছেন মানুষজন ও দায়িত্বে থাকা কর্মীরা। মেদিনীপুর থেকে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে খড়গপুর শহরে মন্দির তলা ইলেকট্রিক চুল্লিতে। প্রতিদিনই ৬-৭টি করোনা রোগীর মৃতদেহ দাহ করা হয় মেদিনীপুরে ইলেকট্রিক চুল্লিতে। শুক্রবার রাত থেকেই মৃতদেহ গুলি পাঠানো হয়েছে খড়গপুর শহরে মন্দির তলার ইলেকট্রিক চুল্লিতে। ইলেকট্রিক চুল্লি খারাপ হওয়ার পর তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে।
স্থানীয় প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা সৌমেন খান বলেন, শুক্রবার রাত থেকেই বিকল হয়ে পড়েছে একটি ইলেকট্রিক চুল্লি। দুটি চুল্লি থাকলেও একটিতেই কাজ হচ্ছে। সেটিও খারাপ হয়ে যাওয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে দ্রুত মেরামত করার জন্য। তার কাজ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে কাঠে দাহের কাজ চলছে।
এদিকে শ্মশানের দাহের কাজে যুক্ত (ডোম) এক ব্যাক্তি তারক দাস বলেন, শুক্রবার সকাল থেকেই খুব চাপ ছিল। লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছিল মৃতদেহের। রাতে চুল্লি খারাপ হয়ে যায়। সকাল থেকে কাঠ এনে দাহের কাজ শুরু হয়েছে। দুপুর পর্যন্ত ৩টি দেহ দাহ করা হয়েছে কাঠে।
এক ব্যক্তি বলেন, হাসপাতালে মারা যাওয়া এক মহিলার দেহ দাহ করতে এসে জানতে পারেন চুল্লি খারাপ। চুল্লিতে দাহ করা হলে সময় এতো লাগত না। সব মিলিয়ে মেদিনীপুর পদ্মাবতী শ্মশান ঘাটে দাহ করতে এসে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে মৃতের পরিবারকে।

