আমাদের ভারত, মেদিনীপুর, ১৬ জুলাই: ভুয়ো মুখ্যমন্ত্রী, ভুয়ো পুলিশ মন্ত্রী এবং ভুয়ো এসপি দেখাই বাকি রয়েছে। কারণ সব ক্ষেত্রেই ভুয়ো নিয়োগ সামনে আসছে। রাজ্য নিয়োগ ব্যবস্থাটাই একটা চিটিং কারখানায় পরিণত হয়েছে। চাকরির বিভিন্ন দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে এভাবেই তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করলে ভারতী ঘোষ।
ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জন্য অর্থ বরাদ্দ করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে শুক্রবার বিকেলে ঘাটালে একটি জনসভার আয়োজন করে ভারতীয় জনতা পার্টি। সভায় দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্ব ভারতীয় মুখপাত্র ভারতী ঘোষl সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ সহ সব ক্ষেত্রে ভুয়ো নিয়োগ সামনে আসছেl ছাত্ররা মেরিট টেস্টে এসেও পুলিশের মার খাচ্ছেl এনভিএফ নিয়োগেও গন্ডগোল ধরা পড়ছে। এবার ভুয়ো মুখ্যমন্ত্রী, ভুয়ো পুলিশ মন্ত্রী, ভুয়া এসপি দেখার বাকি রয়েছে।
ভারতী ঘোষ বলেন, রাজ্যে নিয়োগের সিস্টেম একটা জলজ্যান্ত চিটিং এর কারখানা হয়ে গেছেl সেখানে চিটিং করে বিভিন্ন লোক বিভিন্ন জায়গায় বসে করে খাচ্ছেl তাদের মূল শতাংশই তৃণমূল আশ্রিত। এদের কাজকর্মে তৃণমূলের প্রশ্রয় আছে। যাদি তা না থাকতো, তা হলে তৃণমূল শক্তভাবে পদক্ষেপ করত, কিন্তু তা করেনি। করলে এসব বন্ধ হয়ে যেত।
বেনিয়ম আমরা সারদা, নারদা, রোজভেলি থেকে দেখে আসছিl শুধুমাত্র সরকার শক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে মানুষকে চিটিং করে এবং ভুয়ো নিয়োগপত্রে চাকরি দিয়ে মানুষের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে নেওয়ার মতো বিষয়গুলি সিস্টেমের মধ্যে ওতপ্রোতভাবে ঢুকে রয়েছেl সরকার যেদিন এসব বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করবে সেদিন এ জিনিস বন্ধ হয়ে যাবেl
কারণ আজকাল সবকিছু হয় কম্পিউটার ও ডিজিটালেl তাতে ভুয়ো জিনিস ধরতে দু’মিনিট সময় লাগেl ভারতী ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য সরকার সেসব পরীক্ষা করে দেখেনি কেন? পরীক্ষা না করে নিয়োগ পত্র দিয়েছেন কেন? আসলে এর জল অনেক গভীরেl এইসব লোকদের ধরা উচিত, এদের না ধরলে মানুষ একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছেl

