অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ১০ মে:
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতায় বাংলা আকাদেমীর পুরস্কার প্রাপ্তিতে প্রতিক্রিয়ার ব্যপ্তি ক্রমেই বাড়ছে। সামাজিক মাধ্যমে সরব হচ্ছেন পরিচিতরাও।
শিল্পী-সুরকার দেবজ্যোতি মিশ্র লিখেছেন, “সুস্থ কবি, দরিদ্র কবি, একা কবি, দলহীন কবিরা এই পুরস্কার দেওয়া চুদুরবুদুর কবি সাহিত্যিকগুলোকে ঘিরে ধরো তো! বলো, “দুঃস্বপ্নেও নিজেদের প্রতি ঘেন্না হয় না রে আঁটকুড়ের ব্যাটারা?”
গবেষক-অধ্যাপক শুভেন্দু মজুমদার লিখেছেন, “হে ভৈরব! ভক্তি দাও/ ভক্তপানে চাহ। ভক্তিতে পাইবে পদক তর্কেতে নাহ।” সাংবাদিক প্রদীপ দাস লিখেছেন, “চাটুকারিতারও একটা সীমা থাকে, এ যে সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেল! উপস্থিত বুদ্ধিজীবীদের দেখে, দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের সময় কৌরব রাজসভার রথী মহারথীদের কথা মনে পড়ল।“
বিশিষ্ট স্থপতি তথা কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন ডিজি দীপঙ্কর সিংহ লিখেছেন, “হিরকরাজা সভাকবির স্তাবকতার কবিতায় খুশি হয়ে মোহর উপহার দিতেন। হিরকরাণী নিজের কবিতায় নিজেই খুশি হয়ে নিজেকেই নিজে উপহার দেন।”
কবি অভীক সরকার লিখেছেন, “রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যদিনে বাংলা অকাদেমি আজ ধন্য হল। পোস্ট করার ১৩ ঘন্টা বাদে মন্তব্য, লাইক ও শেয়ারের সংখ্যা হয়েছে যথাক্রমে ৫৯৯, ৬০ ও ২১। এর পর তিনি লিখেছেন,
“বাংলার চপ, বাংলার ভাঁড় বাংলায় চেটে করি একাকার, ধন্য হউক, ধন্য হউক, ধন্য হউক হে ভগবান॥ বাংলার নীল বাংলার সাদা,
বাংলার যত চটিচাটা হাঁদা,
মূর্খ হউক, মূর্খ হউক, মূর্খ হউক হে ভগবান॥
বাঙালির জব বাঙালির টাকা,
সিন্ডিকেটই করে খাক কাকা,
মস্ত্ হউক, মস্ত্ হউক, মস্ত্ হউক হে ভগবান॥
বাঙালির কানি, বাঙালির ত্যানা, নিরলস যত সাইত্যসাধনা, নগ্ন হউক, নগ্ন হউক, নগ্ন হউক হে ভগবান” মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এই পোস্টে ৬৬ জন মন্তব্য করেছেন। প্রতিটিই প্রণিধানযোগ্য। লাইক ও শেয়ারের সংখ্যা যথাক্রমে ৭০০ ও ৪২।

