আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৪ ডিসেম্বর: ‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশনকে ঢেলে সাজানোর কাজ শুরু হয়েছে। স্টেশন চত্বরের রেলের জমি দখল করে রাখা, বাজার ও দখলদারদের সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হল রেলের তরফে। ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্যবসায়ীদের দোকান তুলে দেওয়ার নোটিশ জারি করেছে রেল দফতর। এর জেরেই আতঙ্কে পাঁচ থেকে ছয়শো ব্যবসায়ী। কোথায় ব্যবসা করবেন তারা তা নিয়েই তারা দিশেহারা। শুক্রবার শহরে মিছিল করে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হলেন ছোট, বড় ব্যবসায়ীরা। জেলা প্রশাসনের কাছে ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা উন্নয়নের সঙ্গে আছেন, কিন্তু তাদের ব্যবসা করার জন্য পুর্নবাসনের জায়গা দেওয়া হোক।
‘অমৃত ভারত’ প্রকল্পের মধ্য দিয়ে দেশের ৫০৮টি স্টেশনকে আধুনিক স্টেশন করার প্রক্রিয়া চলছে।আধুনিক স্টেশনের তালিকায় রয়েছে জলপাইগুড়ি টাউন স্টেশন। দুটি ধাপে স্টেশনের কাজ হবে। স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির হওয়ার প্রবেশ পথ আলাদা করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য আধুনিক বসার জায়গা ও বিশ্রামাগার তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়াও থাকছে ওয়াইফাই পরিষেবা। কিন্তু উন্নয়নের কাজে সমস্যা দেখা দিয়েছে রেলের জমি দখল করে রাখার কারণে। স্টেশন বাজারের প্রায় সম্পূর্ণ জায়গা রেলের জমির মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে স্টেশন থেকে তিন নম্বর ঘুমটি এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গা এখন স্থানীয়দের দখলে। রেল দফতরে দাবি, দখলদারদের না সরানো হলে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব নয়। এই কারণে নোটিশ দিয়ে জানানো হয়েছে।
এ দিন জলপাইগুড়ি স্টেশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতি একজোট হয়ে জেলা শাসকের দ্বারস্থ হলেন। স্টেশন বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সুভাষ দাস বলেন, আমরা ১৯৬৮ সাল থেকে ব্যবসা করছি। আমরা পুর্নবাসনের জন্য দাবি জানাই।” আরও এক সবজি ব্যবসায়ী শম্ভু দেব বলেন, পুর্নবাসন না হলে মৃত্যু ছাড়া রাস্তা নেই।”

