আমাদের ভারত, ৭ মার্চ: কংগ্রেস তথা তৃণমূলকে পরিবার তন্ত্র নিয়ে বিজেপি বরাবরই খোঁচা দিয়ে এসেছে। এমনকি এই পরিবারতন্ত্রের জন্য একের পর এক তৃণমূল নেতা দল ত্যাগ করছেন বলেও তারা দাবি করেন। উদাহরণ হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে তুলে ধরেন তারা। কারণ ভাইপোর উপরে ক্ষোভ থেকেই শুভেন্দু দলত্যাগ। খোদ শুভেন্দু ভাইপো হটাও রাজ্য বাঁচাওয়ের স্লোগান দিয়েছেন। এবার সেই আক্রমণকে আরও জোড়াল করলে প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন দিদি হিসেবে ১০ বছর আগে মমতাকে ক্ষমতায় বসিয়ে ছিল বাংলার মানুষ। কিন্তু মমতা শুধু এক ভাইপোর পিসি হয়ে গিয়েছেন।
মোদী বলেন, “১০ বছর পর মানুষ জবাব চাইছে, দিদি হিসেবে আপনাকে বেছে নিয়েছিলেন সকলে। কিন্তু আপনি নিজেকে শুধু ভাইপোর পিসি হিসেবেই সীমাবদ্ধ করে রেখেছিলেন। কেন এটা করলেন? বাংলার লাখ-লাখ ভাইপো, ভাইজির আশা পূরণ করা ছেড়ে কেন নিজের ভাইপোর আশা পূর্ণ করতে শুরু করলেন? আপনিও কংগ্রেসের সেই ভাই ভাতিজা সংস্কৃতি ছাড়তে পারলেন না!”

যাকে একরকম ডান হাত করে রাজ্যের মসনদ থেকে বামেদের ক্ষমতা চ্যুত করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই শুভেন্দু অধিকারী দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আর বিজেপিতে যোগ দিয়েই তিনি স্লোগান দেন ভাইপো হটাও বাংলা বাঁচাও। এর থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় শুভেন্দুর দল ত্যাগের কারণ ভাইপো। ফলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির তোলা পরিবার তন্ত্রের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। আর এর পর থেকে বিজেপি এই অভিযোগ আরও সোচ্চারে বলতে শুরু করে। কারণ এই একই কারণে আরও অনেক নেতা তৃণমূল ত্যাগ করে। এবার সেই অভিযোগকে আরো জোড়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে। বাংলার মানুষকে মনে করিয়ে দিলেন, যে পরিবর্তনের ডাক দিদি ক্ষমতা দখল করেছিলেন তার একটিও হয়নি। বরং বাংলা অবনতির দিকে গেছে। তাই এবার বাংলার উন্নয়নের জন্য আসল পরিবর্তনের ডাক দেন তিনি।

