আমাদের ভারত, মালদা, ২২ আগস্ট: রাখি বন্ধনের দিনেও তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব চাঁচলে। এবার মোদী- মমতার প্রতীকের রাখির রমরমা বাজার, যা রাজনৈতিক বিবাদ কে ভুলে একত্রিত হওয়ার ভাবনা দেখিয়েছে সেই ছবি। কিন্তু উল্টো চিত্র ধরা পড়ল মালদহের চাঁচলে। রাখি বন্ধনের দিনই প্রকাশ্যে আসলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব।চাঁচল-১ নং ব্লক ও টাউন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ আলদা আলাদা ভাবে রাখি বন্ধন উৎসবে শামিল হলে।
এদিন দুই সংগঠনের পক্ষ থেকেই আলাদা ভাবে চাঁচল শহরের পথ চলতি সাধারণ মানুষের হাতে রাখি ও করোনা প্রতিরোধকারী মাস্ক পরিয়ে দেন। টিএমসিপির দুই ছাত্র সংগঠনের এহেন কর্মসূচিতে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের রূপ দিল বিজেপি।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর রাখি বন্ধনের দিনটিতে চাঁচল ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা সাড়ম্বরে দিনটিকে পালন করে। কিন্তু এবার তার উল্টো চিত্র চাঁচলে। টিএমসিপির ছাত্র সংগঠনের দুটি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা ভাবে রাখি বন্ধনের আয়োজন করা হয়। চাঁচল স্ট্যান্ডে চাঁচল-১ নং ব্লক টিএমসিপির সভাপতি রকি খানের নেতৃত্বে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করা হয়। পাশাপাশি শহরের অন্য প্রান্তে চাঁচল টাউন টিএমসিপির পক্ষ থেকে রাখি বন্ধন উৎসবের আয়োজন করা হয়। পূর্বে একত্রিত হয়েই এই উৎসব পালন করা হত বলে জানা গেছে। তবে এবার তা ভিন্ন হল। আর যাকে গোষ্ঠী দ্বন্দের রূপ দিচ্ছে বিজেপি।
চাঁচল-১ নং ব্লক তৃণমূল টিএমসিপির সভাপতি রকি খান জানান, আমরা ব্লক টিএমসিপি সংগঠনের উদ্যোগে রাখি বন্ধনের আয়োজন করেছি। কিন্তু চাঁচল অঞ্চল টিএমসিপির সভাপতি আলদা ভাবে আয়োজন করেছেন।কিন্তু বিষয়টি আমাদের জানায়নি।

চাঁচল অঞ্চল টিএমসিপির সভাপতি সিদ্ধার্থ ভট্টাচার্যের বক্তব্য, আমাদের আয়োজন আগে থেকেই ঠিক করা ছিল।
এবিষয়ে আমি ব্লক সংগঠনকে জানিয়েছি। তারপরেও তারা আলদা ভাবে আয়োজন করেছেন। আমরা তাদের জানিয়েছিলাম। কেন আসল না, তার উত্তর তারাই দেবে।
চাঁচলের বিজেপি নেতা প্রসেনজিৎ শর্মা দাবি করেন, উৎসবের দিনেও ভেদ এটা তৃণমূলই পারে। যেখানে ভাতৃত্বের মিলন সেখানে তারা রাজনৈতিক বিভেদ ঘটাচ্ছে।তৃণমূলের এই সংস্কৃতি নতুন কিছু নয়, আজ তা আবারও স্পষ্ট হল।

