স্বরূপ দত্ত, আমাদের ভারত, উত্তর দিনাজপুর, ৩ জানুয়ারি: প্রায় ২০ ঘন্টা অতিক্রান্ত। রায়গঞ্জের মণিপাড়ায় পাটের গুদামে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনও পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়নি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে কাজ। পুড়ে যাওয়া পাট সরানোর পাশাপাশি চলছে জল সরবরাহের প্রক্রিয়া। দমকলের ৭টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু এখনও আগুন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়নি। বিধ্বংসী আগুনে ভস্মীভূত গুদামে মজুত করা ছিল বিপুল পরিমাণ পাট। সঙ্গে দুটো লরিও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। ইতিমধ্যেই পাটের গুদামের পেছনে অবস্থিত অপর একটি গুদামেও আগুন ছড়িয়ে পরে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

তবে কীভাবে এই বিধ্বংসী আগুন লাগল তা এখনও জানা যায়নি। এত বড় গুদামে অগ্নি নির্বাপনের তেমন কোনো ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন উঠছে মালিকদের গাফিলতির নিয়ে। দমকলের ৭ টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। বসানো হয়েছে ট্রেলার পাম্প।

মালদা ও উত্তর দিনাজপুর জেলার ডিভিশনাল ফায়ার অফিসার স্বপন কুমার দাস বলেন, উত্তর দিনাজপুর জেলার সবকটি ফায়ার স্টেশন সহ মালদা জেলা থেকেও দমকলের ইঞ্জিন এনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আগুন প্রায় নিয়ন্ত্রিত বলে জানান তিনি। তবে এত বড় গোডাউনে অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অপরদিকে, গুদামে অগ্নি নির্বাপনের ব্যবস্থা না থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন গুদাম মালিক পোখরাজ সিন্ধ্রি। তবে এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

