আমাদের ভারত, ৪ মে: “ইতিহাস সাক্ষী আছে, যেখানে যেখানে ঈদের চাঁদ পূর্ণ রূপে প্রকাশিত হয়েছে সেখানে সেখানে অক্ষয় তৃতীয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাঠ চুকে গেছে। এই দুইয়ের সহাবস্থান হল সোনার পাথরবাটি। রাজা শশাঙ্ক, প্রতাপাদিত্যের মাটিতে কোনটা রাইট চয়েস সে সিদ্ধান্ত আমাকে আপনাকেই নিতে হবে।“ বুধবার এই মন্তব্য করলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “এমনিতে মরু সংস্কৃতির প্রতি আমার ভালবাসাও নেই বিদ্বেষও নেই। কেনই বা থাকবে? তোমার সংস্কৃতি একান্তই তোমার, আমারটা আমার। কিন্তু আপত্তিটা হল গা জোয়ারি করে আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করে আমাদের উপরে এই সংস্কৃতিকে চাপিয়ে দেওয়ার অপপ্রয়াসের ক্ষেত্রে। আমাদের দেশে এই সাংস্কৃতিক আগ্রাসন সেই ৭১২ থেকে চলছে ইসলামের নামে।
আমার সংস্কৃতি আমার আইডেন্টিটি। সংস্কৃতি সংকটে পড়লে আমার অস্তিত্বও সংকটে। আমি বিশ্বাস করি, যারা আমার অস্তিত্ব বিপন্ন করার চেষ্টা করবে তারা আমার শত্রু। আর শত্রুর প্রতি সহানুভূতিশীল প্রত্যেকেই আমার শত্রু। এ বিষয়ে আমার মনে বিন্দুমাত্র দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই।
যারা আমাদের শিবির ছেড়ে শত্রু শিবিরে যোগদান করেছে, সে যে কারণেই হোক না কেন, সে আমার শত্রু। স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন একজন হিন্দু ধর্মান্তরিত হওয়ার অর্থ হিন্দু সমাজ থেকে একজন কমে যাওয়া নয়, একজন শত্রুর সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়া। আমি আক্ষরিক অর্থে এই কথায় বিশ্বাস করি। তাই এ বিষয়ে কোনো কনফিউশন নয়, বরং কনভিকশন চাই।
একসাথে ‘পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা এবং অক্ষয় তৃতীয়ার শুভেচ্ছা’ জানানোর অর্থ হল একই সাথে সাপের গালেও চুমু খাওয়া, ব্যাঙের গালেও চুমু খাওয়া। এক শ্রেণির লোককে পেশাগত কারণে এই কাজটা করতেই হয়। তবে সাপই যে দিনের শেষে ব্যাঙকে খেয়ে ইফ*তার সম্পন্ন করবে এ বিষয়ে তাদের মনেও কোনও সন্দেহ নেই।“


sothik mulyayon