আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৭ অক্টোবর: বিসর্জনের সময় মাল নদীতে বিপর্যয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সাফাই দিলেন জেলাশাসক। প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকার জন্যই আরও অনেকের মৃত্যু হওয়ার সম্ভবনা আটকানো গেছে।
জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা জানান,
মাল নদীতে হড়পা বানের মত ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা না নিলে আরও অনেকের মৃত্যু হওয়ার সম্ভবনা ছিল। অন্যদিকে ভুটানের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জানতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে, সাংবাদিক বৈঠক করে শুক্রবার জানালেন জেলাশাসক।
মাল নদীতে ভাসানের সময় হড়পা বানের ঘটনায় আট জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের পরিবারকে রাজ্য সরকারের তরফে দুই লক্ষ টাকা ও জখমদের পঞ্চাশ হাজার টাকা সাহায্য তুলে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারও একই পরিমাণ সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছে। নতুন করে কেউ নিখোঁজ নেই, কিংবা নিখোঁজের কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি কোথাও। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বলেন, ঘটনাস্থলে জেসিবি ছিল। সেই জেসিবিতে অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা দড়ি দিয়ে অনেককে উদ্ধার করেছেন। তা না হলে আরও অনেকের মৃত্যু হত।

নদীতে বাঁধ দিয়ে গতিপথ পরিবর্তনের যে অভিযোগ উঠেছে সে প্রসঙ্গে জেলাশাসক বলেন, এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। কারণ ভাসানের দিন নদীতে অল্প জল ছিল। প্রতিমার যেন জলে ডুবে এই কারণে কিছুটা জায়গায় জল জমানো হয়েছিল। কিন্তু হড়পা বানের আভাস পাওয়া মাত্রই মাইকিং করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে অনেকে ঘাটের উপরে উঠে এসেছেন।
মৌমিতা গোদারা বলেন, মাল নদীর হড়পা বানের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভাসান ও ছট পুজোর ঘাটে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। মাল নদীর ঘটনা কিভাবে হল তা জানতে নদী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তদন্ত করার কথা জিনিয়েছেন জেলাশাসক।

