সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, উত্তর ২৪ পরগণা, ১১ জানুয়ারি: সাংসারিক অশান্তির জেরে স্ত্রীকে শাবল দিয়ে আঘাত করে খুন করল স্বামী। পরে থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়স পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নগরথুবা বাটাপাড়া এলাকায়। মৃত গৃহবধূর নাম রীনা ঘোষ (৫৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, রীনাদেবী চার বছর আগে তাঁর স্বামী কানাই ঘোষের সঙ্গে ঝামেলা করে মুম্বাইতে চলে যান। দিন কয়েক আগে হাবড়ার বাড়িতে ফিরেছেন তিনি। যদিও বাড়িতে ঢোকার আগে স্বামীর বিরুদ্ধে হাবড়া থানায় অভিযোগ জানিয়ে তবেই বাড়িতে ঢোকেন রীনাদেবী। তাঁদের এক মাত্র মেয়ে সে শ্বশুর বাড়িতেই থাকে। তার কথায় মা বাড়ি ফেরার পর থেকেই বাবার সঙ্গে ছোটখাট ব্যাপার নিয়ে অশান্তি করতো। মঙ্গলবার সকাল থেকে অশান্তি চরমে ওঠে। অশান্তির জেরে কানাইবাবু ওই রাতে হাবড়া থানায় তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায়। এরপর রাতে বাড়ি ফিরতেই তার স্ত্রী একটি লাঠি দিয়ে কানাইবাবুর মাথায় আঘাত করে। কানাইবাবু ঘরে ঢুকে তাঁর স্ত্রীকে শাবল দিয়ে মাথায় আঘাত করে। ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়। সারা রাত মৃত স্ত্রীর পাশেই বসে থাকেন। সকালে এক প্রতিবেশীকে জানিয়ে তিনি থানায় গিয়ে সব স্বীকার করেন যে সে তার স্ত্রীকে খুন করেছেন। হাবড়া থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে হাবড়া থানার পুলিশ। ঘর থেকে রীনাদেবীর দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। তাদের এক মাত্র মেয়ে জানিয়েছে, বাবা শান্ত প্রকৃতির ছিলেন। বাবা খুন করতে পারেন না। মা বাড়ি ফেরার পর থেকে বাবার সঙ্গে অশান্তি করতেন। আমি বলতে গেলে আমাকেও গালিগালাজ করত মা।

