আমাদের ভারত, বিশেষ সংবাদদাতা, ১৪ জুলাই: উত্তরপ্রদেশ এবং অসমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারি ভাবনাকে সমর্থন করেছেন জাতীয়তাবাদী অধ্যাপক ও গবেষক ডঃ রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
জাতীয়তাবাদী অধ্যাপক ও গবেষক তথা রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রান্ত প্রবুদ্ধ প্রমুখ ডঃ রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
বুধবার জানান, “আগামী দশকেই ভারতবর্ষ জনসংখ্যার নিরিখে বিশ্বে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করতে চলেছে। এর পিছনে অশিক্ষা, কুসংস্কার, দারিদ্র্যতা প্রভৃতি রয়েছে। সব কিছুকে ছাপিয়ে একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্রের আভাস উঠে আসছে। যেটি হলো ভোটব্যাঙ্ক বৃদ্ধি করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতা দখল করার জন্যই জনসংখ্যা বৃদ্ধির তত্ত্ব।
‘গরিব বলেই সংখ্যায় বেশি’ অথবা ‘সংখ্যায় বেশি বলেই গরিব’, অর্থনীতির এই কূটকচালিতে না জড়িয়েও এটা তো বলাই যায় যে, ক্রমহ্রাসমান পৃথিবীর সম্পদ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জনসংখ্যার লাগামহীন বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা আবশ্যক। একারনেই ‘দুই সন্তান নীতি’ প্রণয়নের কথা ভাবা হচ্ছে।
এই ভাবনার বিরুদ্ধেই এতো শোরগোল। তথাকথিত শিক্ষিত বামপন্থীরা এটা ভুলে গিয়েছেন যে, তাদের পৃষ্ঠপোষক প্রতিবেশী দেশটি কিন্তু ‘এক সন্তান নীতি’ প্রণয়ন করেছিল। তাদের বৈজ্ঞানিক দ্বান্দ্বিকতার আলো সেই সমাজে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন, যেখানে কোনও ভাবেই বিজ্ঞানসম্মত জন্মনিয়ন্ত্রনের সকল পদ্ধতির প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সেই সর্বহারা শ্রেণির কাছে যুক্তিবাদী শিক্ষার আলো ফেলা প্রয়োজন, যেখানে সন্তান প্রজননে নারীদের সম্মতি গৌণ। শুধুমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার এক উন্মত্ত উন্মাদনা বর্তমান।“

