রাজেন রায়, কলকাতা, ৬ সেপ্টেম্বর: ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে পুজোর মধ্যেই করোনা সংক্রমণের হার শীর্ষে উঠবে, এমন আশঙ্কা স্বাস্থ্য কর্তাদের। আর তাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করার জন্য এবার পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনার এই নতুন রূপ খুবই ভয়ঙ্কর ও শক্তিশালী বলেই জানা গিয়েছে। তাই তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কার আগেই একাধিক প্রস্তুতি রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবনে এই সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। এই বিশেষ বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ভাইরোলজিস্ট ছাড়াও স্বাস্থ্য ভবনের কর্তারা এবং কলকাতা বিানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
মূলত, বিমানবন্দর থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে যাতে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ না ছড়ায়, তাই এই স্বাস্থ্য ভবনে চিকিৎসক ও বিমান বন্দরের কর্তৃপক্ষদের জরুরি বৈঠক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। করোনার নতুন রূপ যে দেশে ধরা পড়েছে সেখান থেকে আসা যাত্রীদের নজরদারি ও কীভাবে আলাদা করা যাবে সেই বিষয়ে আলোচনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রের তরফে আগেই এই নতুন করোনার রূপ নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে, তাই বিলম্ব না করে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বিমান বন্দরেই নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে আসা যাত্রীদের আরটি-পিসিআর টেস্টে জোর দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যে করোনার নতুন রূপ নিয়ে সাবধান থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা, চিন, বাংলাদেশ, মরিশাস, নিউজিল্যান্ড, জিম্বাবোয়ে, বাতসোয়ানা থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের কোভিড পরীক্ষায় জোর দেওয়া হতে পারে বলে খবর। নজরদারির তালিকায় থাকা দেশ থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে আসা যাত্রীরাদের ক্ষেত্রে কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা ঠিক করতেই এই বৈঠক।

