পিন্টু কুন্ডু , বালুরঘাট, ১৪ জুলাই: দলবিরোধী কাজে শোকজ হওয়া নেতার ডাকা সভামঞ্চে হাজির হয়ে বিতর্কে জড়ালেন আইএনটিটিইউসির কেন্দ্রীয় নেতা দোলা সেন। গত মে মাসে মজিরুদ্দিন ওরফে ধলুর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কাজ করে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দেবার অভিযোগ আনা হয়। বুধবার বালুরঘাটে ওই শোকজ হওয়া নেতার সভা ডাকা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।
আইএনটিটিইউসির কমিটি ভাঙার পরেও কিভাবে মজিরুদ্দিন নিজেকে সভাপতি পরিচয় দেন, প্রশ্ন তুলেছেন খোদ জেলা তৃণমূল সভাপতি। শুধু তাই নয়, শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত ভট্টাচার্য’কেও অন্ধকারে রাখা হয়েছে এদিনের ওই সভা নিয়ে– জানিয়েছেন জেলা সভাপতি গৌতম দাস। ১৫ দিন পরেও মজিরুদ্দিন ওরফে ধলু শোকজের উত্তর দিতে পারেননি। দলবিরোধী কাজে যুক্ত থাকা সেই নেতা কিভাবেই বা সভা ডাকলেন, আর তার পাশে নেতৃত্বরাই বা কিভাবে বসলেন? যা নিয়ে অবাক হয়েছেন খোদ জেলা সভাপতি নিজেও।
বিতর্কিত এমন প্রশ্ন অবশ্য এড়িয়ে গিয়েছেন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি দোলা সেন। তিনি বলেন, সংগঠনের বিষয় সাংগঠনিকভাবেই আলোচনা করবেন, সাংবাদিকদের তা তিনি জানাবেন না।

বুধবার বালুরঘাটের একটি বেসরকারি অডিটোরিয়ামে তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের শহর কমিটির তরফে একটি রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অতিথি হিসাবে কেন্দ্রীয় নেত্রী দোলা সেন, রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত ভট্টাচার্য, মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র, জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস, মজিরুদ্দিন মন্ডল সহ বেশকিছু নেতার নাম দেখা যায়। দোলা সেন ও বিপ্লব মিত্রের উপস্থিতিতে রক্তদান শিবির ও সভা চললেও বিতর্কিত নেতার ডাকা ওই সভায় গরহাজির থেকেছেন আইএনটিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত ভট্টাচার্য ও জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস।
দক্ষিন দিনাজপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি গৌতম দাস জানিয়েছেন, রাজ্য আইএনটিটিইউসির সভাপতি পরিবর্তনের সাথে সাথেই সমস্ত কমিটি ভেঙে গিয়েছে। তাই মজিরুদ্দিন এখন আর শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি নন। তাকে দলবিরোধী কাজের জন্য শোকজ করা হলেও তার জবাব তিনি দেননি। রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত ভট্টাচার্য কে না জানিয়েই তার নামে ওই সভার প্রচার চালিয়েছেন তিনি।

