আমাদের ভারত, ৬ অক্টোব: “একটি রাজ্য ক্রমশ অপশাসনের দৌলতে অতল তলে তলিয়ে যাচ্ছে। সেখানে জনগণের স্বার্থে কেন্দ্রীয় সরকার বা সর্বোচ্চ আদালতের কি কোনো দায় বদ্ধতা নেই?” সামাজিক মাধ্যমে এই প্রশ্ন তুললেন ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপ্ত চিকিৎসক অরুণোদয় মন্ডল।
বৃহস্পতিবার তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “শারদ উৎসব শেষ হলো। শর্ত সাপেক্ষে প্রতিটি পুজো কমিটিকে দেওয়া ৬০০০০ টাকার হিসেব নিকেষ নেওয়ার কথা কলকাতা উচ্চ আদালতের। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি মানুষের মাথায় এই মুহূর্তে লক্ষাধিক টাকার ঋণ। ক্রমশ এই ঋণ বাড়তেই আছে। কোথায় গিয়ে থামবে জানি না। অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ন্যায্য পাওনা ডিএ দিতে ছল চাতুরির আশ্রয়, শিক্ষিত চাকরি প্রার্থীরা আজও গান্ধী মূর্তির পাদদেশে রাস্তায় অবস্থান রত, শিল্পের ছাই উড়ছে বাতাসে। মুখ্যমন্ত্রীর একের পর এক প্রলাপ বচন, সব মিলিয়ে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি।
একমাত্র হাইকোর্ট পুজো কমিটিগুলোকে ৬০০০০ টাকা করে দেওয়া বন্ধ করতে পারতো। তাতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব বাঁচতো। এবার তো অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের উৎসবে সরকারি অনুদানের ন্যায্য দাবি জানাবে। সেক্ষেত্রে সরকার বা উচ্চ আদালতের ভূমিকা কি হবে? একটি নির্বাচিত সরকার সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে একের পর এক সমস্যা সৃষ্টি করে চলেছে। সিভিক ভলান্টিয়ার, সিভিক পুলিশ, সিভিক টিচার, সিভিক ডাক্তার, সিভিক নার্স এমনকি সিভিক ডব্লুবিসিএস তৈরিতে মনোনিবেশ করেছে।”

