আমাদের ভারত, ২২ মার্চ: আবারও একবার হিন্দু রাষ্ট্রের পক্ষে সাওয়াল করলেন এক বিজেপি নেতা। ভারত হিন্দু রাষ্ট্র বলেই দাবি করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিজয়বর্গীয় বলেন, ভারত যখন বিভক্ত হয় সেই সময় ধর্মের ভিত্তিতেই বিভক্ত হয়েছিল। বিভাজনের পর পাকিস্তান তৈরি হয়, বাকি ভারত তো হিন্দু রাষ্ট্রই।
বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেছেন, স্বাধীনতার পরবর্তী ক্ষেত্রে ভারত হিন্দু রাষ্ট্রই হয়ে গিয়েছিল। এই মন্তব্যকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার দাবি প্রসঙ্গে কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানিয়েছেন, যখন দেশ ভাগ হয়েছিল তখন ধর্মীয় ইস্যুতেই দেশ ভাগ হয়েছিল। দেশভাগের পরে পাকিস্তান তৈরি হলো, আর বাকি দেশটা হিন্দু রাষ্ট্র হল।
এর সঙ্গেই তিনি বলেন, ভূপালে তার এক মুসলিম বন্ধু রোজ হনুমান চালিশা পাঠ করেন শিব মন্দিরেও যান। তিনি বলেন, “আমি মুসলিম বন্ধুকে প্রশ্ন করতাম হনুমানকে পুজো করার ব্যাপারে কিভাবে সে অনুপ্রাণিত হয়? এ প্রশ্নের উত্তরে আমার বন্ধু জানিয়েছিলেন, সে তার পূর্বপুরুষের ইতিহাস ঘেঁটে জানতে পারছ তারা আসলে রাজস্থানের রাজপুত ছিলেন। এখনো উত্তরপ্রদেশে ও রাজস্থানে তাদের বংশধররা রাজপুত হিসেবেই রয়েছেন।”
মুসলিম বন্ধুর কথা টেনেই তিনি বলেন, এদেশে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা মনে করেন তাদের পূর্বপুরুষ হয়তো হনুমান চালিশা পাঠ করতেন। এই অবস্থায় হনুমান চালিশা ক্লাব খোলার কথাও বলেছেন বিজেপি নেতা। দেশের যুব সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ নেশার মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে, সেই সমস্ত যুবকদের বাঁচাতে হনুমান চালিশা ক্লাব যথেষ্ট বড় ভূমিকা নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন বিজয়বর্গীয়।

