সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৮ নভেম্বর: ঝালদা পৌরসভা প্রসঙ্গে পরপর তিনবার হাইকোর্টের ধাক্কা খেলো শাসক দল। দুই নির্দল ও ৫ কংগ্রেস সহ ঝালদার ৭ বিরোধী কাউন্সিলরকে রক্ষাকবচ দিল হাইকোর্ট। ২১ নভেম্বর তলবি সভায় যোগ দেবেন তাঁরা।
অবশেষে সব জটের অবসান ঘটিয়ে ২১ নভেম্বর ২০২২ হাইকোর্টের নির্দেশে বিরোধীরা তলবি সভা করবে। বর্তমান চেয়ারম্যানকে অপসারণ করার জন্য এগিয়ে থাকল কংগ্রেস। হাইকোর্ট ইতিমধ্যে পিন্টু চন্দ্র বাদে অন্য ছয় জন বিরোধী কাউন্সিলরকে রক্ষাকবচ প্রদান করেছে। তাঁদের মামলাতে জড়ালেও গ্রেফতার হলেও কাউকে জেলে রাখলে নির্দিষ্ট সময়ে অনাস্থা ভোটের তলবি সভাতে ওই কাউন্সিলরকে উপস্থিত করাতে হবে।
হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ ২১ তারিখের তলবি সভাকে সিলমোহর দিলে ঝালদা পৌরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার আগরওয়াল ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যান। আজ যার শুনানি ছিল। শুনানিতে ধাক্কা খায় শাসক দল তৃণমূল। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ও সিঙ্গেল বেঞ্চের ২১ তারিখের তলবি সভা করার নির্দেশে সিলমোহর দিল।

ঝালদা মহকুমা শাসক পৌরপ্রধান সুরেশ আগারওয়ালের দেওয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল কাউন্সিলর শিলা চ্যাটার্জির সদস্যপদ খারিজের চিঠির ভিত্তিতে নোটিশ পত্র দিয়েছিলেন ও ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার জবাব দিতে বলেছিলেন। সে বিষয়ে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেন ও জানান, ২১ শে নভেম্বরের তলবি সভার পর ২৩ শে নভেম্বর এই বিষয়ে আলোচনা হবে। যার ফলে অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল। কারণ শাসকদলের চেয়ারম্যান সুরেশ কুমার আগারওয়ালের চেয়ারম্যান পদ খারিজ সময়ের অপেক্ষা ও ঝালদাতে কংগ্রেস পরিচালিত বোর্ড গঠন হওয়া আর কিছু সময়ের অপেক্ষা বলে দাবি দলের জেলা সভাপতি নেপাল মাহাতোর।
হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়কে মেনে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “কংগ্রেসের পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য বানচাল হবে। ঝালদার উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের বোর্ড থাকবে এবং উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।”

