আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ১৫ অক্টোবর: জলপাইগুড়ি শহরের আবর্জনা সাফাইয়ে রাস্তায় নামলেন খোদ জেলাশাসক সামা পারভিন, জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবহালে, পুরপ্রধান পাপিয়া পাল সহ জেলা প্রশাসনের একঝাঁক কর্তারা। ডেঙ্গি নিয়ে সচেতনতার পাশাপাশি ফুটপাত দখলকারীদের সর্তক করা হয়।

বিরোধীদের অভিযোগ, পুরসভা আবর্জনা সাফাইয়ে পুরোপুরি ব্যর্থ। সেই কারণে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নামতে হল রাস্তায়। উনারা আবর্জনা পরিস্কার করলেন। রবিবার শহরের জোড়াবাতি মোড় থেকে ডেঙ্গি সচেতনতা প্রচার শুরু হলো জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও পুরসভার সহযোগিতায়। মার্চেন্ট রোড, সমাজ পাড়া, থানা মোড়, ডিবিসি রোড হয়ে আবার জোড়াবাতিতে সচেতনতা প্রচার শেষ হয়। একাধিক দোকানের সামনে খোলা জায়গায় আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছিল না কোনো ডাস্টবিন। আবর্জনা দেখে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং সাফাই অভিযানে হাত লাগান জেলাশাসক। নিজেই আবর্জনা পরিস্কার করে ডাস্টবিনে তোলেন। ব্যবসায়ীদের একাংশকে ডেকে আবর্জনা পরিস্কার করানো হয়। এছাড়া কিছু ব্যবসায়ীকে পুরসভার নীল- সবুজ রঙের বালতি দেওয়া হয় ডাস্টবিনের জন্য। কিছু দোকানের আবর্জনা দোকানেই ফেরত দেওয়া হয়। ডাস্টবিনে আবর্জনা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জেলাশাসক সামা পারভিন বলেন,”সবাইকে আবর্জনা সাফাইয়ের কাজে হাত লাগাতে হবে। এই কারণে সচেতনতা প্রচার করা হচ্ছে ডেঙ্গি রুখতে। ফুটপাত দখল করা যাবে না সেটাও দেখছে পুরসভা।”

এদিকে পুরপ্রধান বলেন, “রাজ্য সরকারের নির্দেশে এই সচেতনতা উদ্যোগ। বিরোধীরা কে কি বলছে এই নিয়ে কিছু বলার নেই।”
২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিরোধী দলের কাউন্সিলর তথা টাউন ব্লক কংগ্রেস সভাপতি অম্লান মুনসি বলেন, “পুরসভা ব্যর্থ শহরের আবর্জনা মুক্ত করতে। এই কারণে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে নামতে হয়েছে রাস্তায়। আর ফুটপাত অভিযান কিভাবে হবে? আজও তো হকার্স কর্ণার হল না।”

