আশিস মণ্ডল, রামপুরহাট, ২৩ মার্চ: প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের জেরে ভাঙ্গচুর করা হল কংগ্রেস কার্যালয়। চলে মারধর। জখম হয়েছেন দুই কংগ্রেস কর্মী। তাদের মুরারই গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
বীরভূমের মুরারই বিধানসভা এলাকায় জোটের প্রার্থী করা হয়েছে কংগ্রেসের আসিফ ইকবাল ওরফে রাসেলকে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই কিছু কংগ্রেস কর্মীর মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়। অসন্তোষ মেটাতে মঙ্গলবার বেলার দিকে মুরারই দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন নেতা কর্মীরা। সেখানেই প্রার্থী নিয়ে বাকযুদ্ধ শুরু হয়। দলীয় কার্যালয়ের জানালার কাঁচ ভেঙ্গে দেওয়া হয়। ভাঙ্গচুর করা হয় চেয়ার টেবিল। আলি আহমেদ নামে এক কর্মীর মাথা ফাটে।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রদেশ যুব কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক মাসিকুল ইসলাম ওরফে সিবলি বলেন, “জেলা নেতৃত্ব আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এখানে দুর্বল প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। তবে দল যাকে প্রার্থী করবে আমরা তার হয়েই প্রচারে নামব। এদিন কিছু লোক যাদের কংগ্রেসে কোনওদিন দেখিনি তারা এসে ভাঙ্গচুর চালিয়ে গেল। আমাকেও ধাক্কাধাক্কি করেছে”।

কংগ্রেসের মুরারই ১ নম্বর ব্লক সভাপতি মোতাহার হসেন বলেন, “আমরা দলীয় কার্যালয়ে বসে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করছিলাম। সে সময় ডুমুরগ্রামের বাসিন্দা টনিক শেখের নেতৃত্বে হামলা চালান হয়। এর কেউ কংগ্রেস করে না। হঠাৎ করে ভোটের সময় নিজেদের কংগ্রেসি দাবি করে হামলা চালায়। কার্যালয়ের প্রচুর সম্পত্তি ওরা নষ্ট করেছে। আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করব।”
কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ ইকবাল ওরফে রাসেল বলেন, “যারা আমাদের অফিস ভাঙ্গচুর করেছে তারা আমাদের দলের কেউ নয়। তৃণমূলের লোকজন ভাঙ্গচুরের সঙ্গে যুক্ত। বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি। তারা যে নির্দেশ দেবে সেই মতো কাজ করব। তবে আমাদের দলের মধ্যে প্রার্থী নিয়ে কোনঈ ক্ষোভ নেই।”

