রাজেন রায়, কলকাতা, ১৬ আগস্ট: ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পাল্টা গণতন্ত্র বাঁচাও পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচিতে আলোটা যেন শুষে নিল বিজেপি।মেয়ো রোডে বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি তৈরি হয় বিজেপির শীর্ষ নেতাদের। মেয়ো রোড থেকে গ্রেফতার করা হয় দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, দেবশ্রী চৌধুরী সহ একাধিক নেতা নেত্রীদের। দিলীপ ঘোষকে টানতে টানতে ভ্যানে তোলেন পুলিশ কর্মীরা।
জানাগেছে, মহামারী আইনে গ্রেফতার করা হয় দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, দেবশ্রী চৌধুরী সহ একাধিক নেতা নেত্রীদের। লালবাজার সূত্রে ৮৫ জনকে গ্রেপ্তারের কথা বলা হলেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৫০ জনকে, দাবি বিজেপির। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্ব স্লোগান তোলে। প্রথমে রানী রাসমণি অ্যাভিনিউতে বিজেপি নেতৃত্ব বিক্ষোভে বসেন। সেখান থেকে তারপরে তারা মেয়ো রোডে চলে যান। মেয়ো রোড থেকে পুলিশ শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষদের গ্রেফতার করে। বিজেপির এই কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মেয়ো রোডে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিজেপি নেতৃত্ব।

রানী রাসমণি রোডে কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল বিজেপির। কিন্তু পুলিশের অনুমতি না মেলায় মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে চলে যান বিজেপি নেতারা। মেয়ো রোডে বিজেপি নেতারা পৌঁছাতেই গ্রেফতার করা হয় দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, দেবশ্রী চৌধুরী সহ একাধিক নেতা কর্মীদের। টেনে-হিঁচড়ে তাদের পুলিশভ্যানে এবং বাসে তোলা হয়। আজ পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচি ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় রানী রাসমণি রোডে।
শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, দেবশ্রী চৌধুরীর নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের গ্রেফতার করে লালবাজারে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। পরে অবশ্য সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

