যদি মমতাই প্রধানমন্ত্রী হবেন, তাহলে তাকে ভোট দিতে কেন বেশি মানুষ বের হলেন না ? কটাক্ষের সুরে প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের

আমাদের ভারত, ৫ অক্টোবর: ভবানীপুরের উপনির্বাচনে নিয়ে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দীলিপবাবু প্রশ্ন তুলেছেন ভবানীপুরে বেশি মানুষ ভোট দিতে বের হলেন না কেন? তৃণমূল বলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তাহলে যিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন তার জন্য মানুষ ভোট দিতে বেরোলেন না কেন?

দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের দাবি মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে হিসেবে দেখতে চাইছে। কিন্তু মাত্র ৫৭ শতাংশ মানুষ ভোট দিলেন ভবানীপুরের উপনির্বাচনে। মানুষ আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান না । বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি আরও বলেন, “কেন আমরা কম ভোট পেয়েছি তা নিয়ে বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই। সাধারন বুদ্ধিতেই সেটা বোঝা যায়। বিধানসভা ভোটের সময় একটা হাওয়া ছিল। অনেক মিটিং প্রচার মিছিল হয়েছিল। অনেকেই ভেবেছিলেন বিজেপি জিতবে। তাই অনেক দোদুল্যমান ভোটার ভোট দিয়েছিলেন আমাদের। কিন্তু ভোটের পর পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। আমাদের সমর্থকদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। তারা এবার ভোট দিতে বের হননি। দোদুল্যমান ভোটাররাও আমাদের ভোট দেননি।”

অন্যদিকে টানা বর্ষণ ও ডিভিসি জল ছাড়া জলে ডুবেছে রাজ্যে বহু এলাকা। ঘাটাল দাসপুর চন্দ্রকোনা উদয়নারায়নপুর আমতায় বানভাসি বহু মানুষ। এরজন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিভিসি তথা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিথ্যে বলছেন তা জানতে ডিভিসির অফিসে গিয়েছিলাম। জল ছাড়ার ব্যাপারে যে কমিটি রয়েছে তাতে বাংলার সঙ্গে ঝাড়খান্ড সরকারের প্রতিনিধিও রয়েছেন। ওই কমিটির সিদ্ধান্তের ৬ ঘন্টা পর জল ছাড়া হয়। কখনো কত জল ছাড়া হচ্ছে তা রাজ্য সরকারকে জানানো হয়। ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলের ধাক্কা কতদূর যেতে পারে তাও রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়। তার পরেও প্রতিবার মিথ্যা কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সাধারণ মানুষের জন্য কোন ব্যবস্থায় তিনি আগাম নেননা। যেমন ঝড়ের খবর থাকলেও আগাম কোনো ব্যবস্থা নেননি তেমন দীর্ঘদিন খাল, বাঁধের সংস্কারও তিনি করেননি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *