আমাদের ভারত, ১৩ এপ্রিল: বগটুই, ঝালদা, হাঁসখালি একের পর এক ঘটনা। ফলে কয়েকদিন ধরেই বারবার রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করার দাবি উঠেছে। বিজেপি শুধু নয় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীও রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারির দাবি করেছেন। বুধবার আবারও এই বিষয়ে সরব হয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার কথায় রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করার সময় এসেছে।
দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা কেন্দ্রীয় সরকারকে বলেছি একটা সরকার জনমত নিয়ে এসেছে এক বছরও যায়নি। তার মধ্যে ৩৫৬র দাবি উঠছে,তার মানে সরকার কতটা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে গেছে।” তিনি বলেন,”আমি জানি না সাংবিধানিক ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে এটা কীভাবে হতে পারে, তবে এটা ঠিক আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করেছি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছেও বলেছি, কিছু একটা রাস্তা বের করতে যাতে বিষয়টি সাংবিধানিক ব্যবস্থার মধ্যে হয়।”
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “সমাজ থেকে আওয়াজ উঠেছে ৩৫৬ ধারা জারি করুন একটা সরকারকে সাধারণ মানুষ পূর্ণ বহুমত দিলেন। তারপর এক বছরও হয়নি সেই সরকারকে ফেলে দেওয়ার ভেঙে দেওয়ার দাবি উঠছে। তার মানে সরকার কতটা জনপ্রিয়তা হারিয়েছে কতটা জনবিরোধী হয়ে উঠেছে।”
তবে তিনি মনে করিয়ে দেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি ধারা যে বিশ্বাসী তাতে আমরা কোন জায়গায় ৩৫৬ ধারা জারি করি না। একাধিকবার কেন্দ্রে ক্ষমতায় থেকেছি কিন্তু আজ পর্যন্ত করিনি। কিন্তু এই মুখ্যমন্ত্রী যখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন তখন রাম মন্দির আন্দোলনের পর যখন সমস্যা হয়েছিল তখন তিনি দাবি করেছিলেন বিজেপি সরকার ভেঙে দাও। চারটে সরকারকে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। আমরা সেই রাস্তায় এখনও যায়নি। কিন্তু মানুষ দাবি করছেন মানুষ ভাবছেন আর কোনো রাস্তা নেই। এখন আমার মনে হয় ৩৫৬ ধারা জারি করার সময় এসে গিয়েছে।”
কিছুদিন আগে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও ৩৫৬ ধারা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। হুঁশিয়ারি সুরে তিনি বলেছিলেন ৩৫৬ ধারা জারি করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে বাধ্য করছে রাজ্য।

