আশিস মণ্ডল, বীরভূম, ১৩ জানুয়ারি: দিদির দূত হয়ে জনসংযোগে গিয়ে কোথাও বিক্ষোভের মুখে, কোথাও নিজেই বিতর্কের সৃষ্টি করলেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। যদিও দুটি বিতর্কই সাংবাদিকদের প্রশ্নে সন্তর্পনে এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার সকালে প্রথমে হাঁসন বিধানসভার বিষ্ণুপুর অঞ্চলের মেলেডাঙা গ্রামে যান শতাব্দী রায়। সেখানে তিনি গাড়ি থেকে নামতেই রাস্তার সমস্যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গ্রামবাসীরা। তারা সাংসদকে ঘিরে বলতে থাকেন, একাধিকবার রাস্তার সমস্যা নিয়ে বলা হয়েছে, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। বিক্ষোভের মুখে পড়ে মেজাজ হারান শতাব্দী রায়। বিক্ষোভকারীদের নিচু স্বরে ধমক দিতেও দেখা যায় সাংসদকে। যদিও সাংবাদিকদের প্রশ্নে শতাব্দী বলেন, “আপনারা ভুল ব্যাখ্যা করেছেন। আমি কাউকে ধমক দিইনি। মজা করে বললাম আপনার বলা হল। এবার অন্যজনকে বলতে দেন”।

মেলেডাঙ্গা গ্রাম থেকে শতাব্দী যান একই অঞ্চলের তেঁতুলিয়া গ্রামে। সেখানে তৃণমূল কর্মী সুজিত সরকারের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল। ওই কর্মীর বাড়ির উঠোনে বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায় সহ কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে এক আসনে খেতে বসেন শতাব্দী রায়। সাংবাদিকরা ছবি তোলার পরেই না খেয়ে উঠে যান তিনি। এনিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে শতাব্দী বলেন, “আমি বাড়ির ভিতর খেয়েছি। উপোস করিনি। ভাত, ডাল, পাঁচ তরকারি, বেগুন ভাজা, মাছ ভাজা, মাংস দিয়ে ভাত খেয়েছি”। একই বক্তব্য গৃহকর্তা সুজিত সরকারের। তিনি বলেন, “সাংসদ খেয়েছেন। ওখানে বসেই খেয়েছেন। একটা ফোন এসেছিল। তাই উঠে গিয়েছিলেন। পরে ওখানে বসেই খেয়েছেন। উনি না খেয়ে যাননি”।

