১ এপ্রিল, এপ্রিল ফুল করেছে নন্দীগ্রাম, ২ মে দিদি যাবে: নরোত্তম মিশ্র

জয় লাহা, দুর্গাপুর, ৫ এপ্রিল: ‘ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, আতঙ্কবাদীদের বহিরাগত মনে হয় না, তারা ভেতরের লোক। আমরা রাষ্ট্রবাদী তাই আমাদের বহিরাগত মনে হয় দিদির। ১ এপ্রিল, এপ্রিলফুল করেছে নন্দীগ্রাম, ২ মে দিদি যাবে।’ সোমবার দুর্গাপুরে দলের চার প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিলে সামিল হয়ে এভাবে তোপ দাগলেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা রাজ্যে বিজেপির বিশেষ পর্যবেক্ষক নরোত্তম মিশ্র। জিতেন্দ্র তেওয়ারী বলেন, আসল পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছে বাংলাবাসী।

দুদফার ভোটগ্রহন হয়েছে। বাকি ছ’ দফা। সোমবার দুর্গাপুর পুর্ব- পশ্চিম, পান্ডবেশ্বর ও রানীগঞ্জ বিধানসভা আসনের বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদিন দুর্গাপুর গান্ধীমোড় থেকে বর্ণাঢ্য মিছিল করে সিটি সেন্টারে নির্বাচন দফতরে পৌঁছন। সুসজ্জিত ট্যাবলো, ব্যান্ড পার্টির সঙ্গে কয়েক হাজার দলীয় কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা ছিল নজরকাড়া।

এদিন মনোনয়ন জমা দিতে প্রার্থীদের সঙ্গে এসেছিলেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা রাজ্যে বিজেপির বিশেষ পর্যবেক্ষক নরোত্তম মিশ্র। তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির বহিরাগত আক্রমনের পাল্টা জবাবে তিনি বলেন, “যশবন্ত সিনহা, জয়া বচ্চন, তেজস্বী যাদবকে দিদির বহিরাগত মনে হয় না। বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা, আতঙ্কবাদীরা বহিরাগত মনে হয় না। তারা দিদির কাছে ভেতরের। আর আমরা রাষ্ট্রবাদী, তাই দিদির বহিরাগত মনে হয়।” এদিন তিনি নন্দীগ্রামের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন,” পঞ্চায়েত নির্বাচনে দিদি যেটা করেছিলেন। সেটা আর পারছে না। ১ এপ্রিল, এপ্রিলফুল করেছে নন্দীগ্রামের মানুষ। আর ২ মে, দিদি যাবে।’

বিজেপির পান্ডবেশ্বরের প্রার্থী জিতেন্দ্র তেওয়ারী বলেন, “তৃণমূল যা করছে, গণতন্ত্রের জন্য ভালো না। মানুষ আসল পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছে। মানুষই শেষ কথা বলবে।” দুর্গাপুর পুর্বের প্রার্থী দীপ্তাংশু চৌধুরী বলেন, ” মানুষের ন্যূনতম পরিষেবা নিয়ে খেলা করছে তৃণমূল। মানুষের জীবন নিয়ে খেলা করছে। বাংলার মা’য়েদের সম্মান নিয়ে খেলা করছে। দিদির নাটক মানুষ ধরে ফেলেছে। মানুষ খেলতে চায় না। উন্নয়ন চায়। আয়ুষ্মান ভারত, উজ্জ্বালা যোজনা, কৃষক সম্মান নিধির মতো প্রকল্প চায় মানুষ। তার জবাব মানুষ ঠিক দেবে।” আবার দুর্গাপুর পশ্চিমের প্রার্থী লক্ষন ঘড়ুই বলেন, “মমতা ব্যানার্জি মানুষের আবেগ নিয়ে ছেলেখেলা করেছে। ২০১১ সালে যতটা সম্মান দিয়ে এনেছিল, তার দ্বিগুন ঘৃণা অবজ্ঞা করে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। বাংলার মানুষ তৃণমূলের অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ চাইছে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *