আমাদের ভারত, ২৮ জুন: হাওয়ালা জৈন মামলা চার্জসিটে নাম ছিল রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের। নবান্নের সব সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে এই বলে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই অভিযোগের পাল্টা দিতে রাজভবন থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেন রাজ্যপাল। তিনি স্পষ্ট জানান, ওই মামলার চার্জশিটে তাঁর নাম ছিল না। পাল্টা মমতা সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ করেন তিনি।
ধনখড় বলেন অজিত পাঁজা, যশোবন্ত সিং-র মত শাসক দলের নেতৃত্বের নাম ছিল ওই মামলার চার্জশিটে। এরা সকলেই ওই মামলার চার্জশিটে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। যদিও কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। এরপরেই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একগুচ্ছ অভিযোগ করেন তিনি। ধনখড়ের কথায় উত্তরবঙ্গে গিয়ে এমন পরিস্থিতি দেখে এসেছেন তিনি যা অবর্ণনীয় এবং কল্পনাতিত। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে সেখানে। নির্বাচন করানো হয়নি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আজ মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন থেকে অভিযোগ করার আগেই জিটিএ এর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল।
করোনা পরিস্থিতিতে কোভিড সামগ্রী কেনার টাকা নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। তার প্রশ্ন এই খাতে যে দু’হাজার কোটি টাকার কথা বলা হয়েছে তা কোথায় কোথায় ব্যয় করা হয়েছে? এই একই প্রশ্ন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও তুলেছেন।
রাজ্যপাল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের প্রথম নাগরিক হিসেবে আমি কারো সামনে মাথা নোয়াব না। শুধু ভারতীয় সংবিধানের সামনেই আমার মাথা নত হবে। রাজ্যপাল হিসেবে এটাই আমার কাজ। কখনো কোনও কিছু বিষয়ে আশঙ্কা হলে সেদিকে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো।

