আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৭ মার্চ: ঘাটালে তৃণমূল প্রার্থীর শ্যামলী সর্দার- এর সমর্থনে কুশপাতা এলাকায় রাম মন্দিরে পুজো দিলেন ঘাটালের সংসদ দীপক অধিকারী। পুজো দেওয়ার পর দিলেন জয় শ্রীরাম ধ্বনি। ২৬- এর নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে দেবের ঘাটালে প্রথম প্রচার। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ ঘুরে দেখলেন।
ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কাজ ঘুরে দেখে দেব বলেন, “বন্যা থেকে বাঁচানোর জন্য প্রথমে একটা রুটম্যাপ তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে অধিকাংশ জমি বা বাজার তার মধ্যে চলে যাচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর আদেশের পর আবার নতুন করে রুটম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান করতে গেলে অনেকগুলো জমি লাগবে এবং এটি সফল করার জন্য ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান ও বিরোধীদের সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কোনো পলিটিক্যাল ইস্যু নয়, এটি মানুষের জন্য। আমি ২০১৪ থেকে সাংসদ আছি এবং তখন থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কথা বলে আসছি। বিজেপি বা অন্য কোনো বিরোধী দল কেন্দ্রের কাছে কি একটিও চিঠি লিখেছে এই মাস্টার প্ল্যান নিয়ে? আমি রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কারণ এই কাজটি আটকে ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার কথা দিয়েছে যে তারা এই কাজ করবে এবং ইতিমধ্যে ৭০০ কোটি টাকা মঞ্জুর হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বিরোধীদের কাছে এখন আর কোনো প্রচারের অস্ত্র নেই, তাই তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ঘাটালের মানুষ এখন চোখের সামনে কাজ হতে দেখছেন—ড্রেজিং শুরু হয়েছে, পাম্পিং স্টেশনের কাজ চলছে। আমরা প্রতিশ্রুতি ললিপপ দিই না, আমরা কাজ করে দেখাই।”
রাজনীতি ও উন্নয়নের লড়াই প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য,
“যদি এবারও ঘাটালে তৃণমূল না জেতে, তবে রাজনীতি জিতে যাবে আর কাজ করা মানুষগুলো হেরে যাবে। রাজনীতিতে অনেকে অনেক কথা দেয়— ১৫ লক্ষ টাকা আসবে বা ২ কোটি চাকরি হবে, কিন্তু আমি কথা দিয়ে কথা রেখেছি।
দেব শেষে জানান, ঘাটালের উন্নয়নই তাঁর মূল লক্ষ্য এবং এই মাস্টার প্ল্যান সম্পন্ন হলে ঘাটালের মানুষ বন্যার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

