সুশান্ত ঘোষ, আমাদের ভারত, বনগাঁ, ২৮ ফেব্রুয়ারি: ৩০ বছর ধরে অবহেলিত আদিবাসী সম্প্রদায়। দীর্ঘ ৩০বছর ধরে রাস্তা সারাই হয় না। নেই পানীয় জলের ব্যবস্থা, এছাড়া বিধবাভাতা, আবাস যোজনা সহ বৃদ্ধভাতা বন্ধ। এর প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থানার সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে প্রতিবাদ মিছিল ও রাস্তা অবরোধ করে আদিবাসীরা।
তাঁদের দাবি ভোট আসে ভোট যায় আদিবাসীদের কোনও রকম সাহায্য করছে না পঞ্চায়েত থেকে রাজ্য সরকার।
সোমবার পাকা রাস্তার দাবিতে বনগাঁর সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধানকে ঘর বন্দি করে পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝুলিয়ে বনগাঁ–বাগদা রোড অবরোধ করে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানশদা গ্রামে প্রায় ১০ কিলো মিটার কাঁচা রাস্তা। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নেতারা আশ্বাস দিচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। সোমবার কয়েক হাজার গ্রামবাসী সুন্দরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ইন্দ্রজিৎ শাঁখারী ও উপপ্রধান সমীর মজুমদার ও পঞ্চায়েত অফিসের কর্মীদের তালা বন্দি করে রাখে। দুপুর ১টা থেকে বিকাল চারটে পর্যন্ত আটকে রাখা হয় প্রধান ও উপপ্রধানকে। পুলিশ খবর পেয়ে তালা খুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। এরপর পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় গ্রামবাসী।

গ্রামবাসী চিন্তামণি সর্দার, সুধা বড়ুয়া বলেন, এমনিতেই অবহেলিত আদিবাসী সম্প্রদায়। দীর্ঘ ৩০বছর ধরে রাস্তা সংস্কার হচ্ছে না, নেই পানীয় জলের ব্যবস্থা, এছাড়া বিধবাভাতা, আবাস যোজনা সহ বৃদ্ধভাতা বন্ধ। পঞ্চায়েতকে বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তাদের দাবি না মানা হলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুমকি দেয় গ্রামবাসী।
প্রধান ইন্দ্রজিৎ শাঁখারী বলেন, বাসিন্দাদের দাবি ঠিক, কিন্তু পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে এত বড় রাস্তা করা সম্ভব নয়। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি কিন্তু রাস্তা এখনও হয়নি।

