কেশিয়াড়ির বিস্ফোরণে মৃতের দেহ ঘিরে বিক্ষোভ

জে মাহাতো, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৯ ফেব্রুয়ারি:
বিস্ফোরণে মৃতের প্রকৃত কারণ আড়াল করার অভিযোগ তুলে  মৃতদেহ  নিয়ে আসা এম্বুলেন্স ঘিরে বিক্ষোভ দেখাল কেশিয়াড়ি ব্লকের আনাড় গ্রামের বাসিন্দারাl ফেব্রুয়ারি মাসের দশ তারিখ ওই গ্রামে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে আহত রতন করের মৃত্যুর পর পরিবারের লোকজন কটকের ফোর এস  কেয়ার হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ বাড়ি নিয়ে আসলে গ্রামবাসীরা দেখেন ওই রোগীকে  “রেফার” করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, একদিন আগেই মৃত্যু হয়েছে রতনের। ডেথ সার্টিফিকেট না থাকায় ওই হাসপাতাল থেকে আসা এম্বুলেন্সটিকে আটকে রাত থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন গ্রামবাসীরা।

বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেশিয়াড়ি থানার পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে পুলিশের আশ্বাস পেয়ে সকালে বিক্ষোভ তুলে নেওয়া হয়।

১০ ফেব্রুয়ারি  সকালে  প্রবল বিস্ফোরণ কেশিয়াড়ী ব্লকের  আনার  গ্রামের বাসিন্দা রতন করের পাকা বাড়ির একাংশ পুরোপুরি উড়ে যায়। ঘটনায় তাঁর শরীরের অধিকাংশ অংশ ঝলসে যায়। এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ তোলেন, অবৈধ বাজি কারখানায় মজুদ করা প্রচুর পরিমাণে বারুদ ও শব্দ বাজিতে  আগুন লেগে যাওয়ার কারণেই বিস্ফোরণ ঘটেl বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি কংক্রিটের পাকা বাড়ি  ধসে যাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

এলাকাবাসী অভিযোগ তোলেন, শুধু বাজি নয়, বাড়িতে বোমাও মজুদ রাখা ছিল। বাজি তৈরির বারুদের কাজ করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে পাকা বাড়ির চাল ও দেওয়াল উড়ে যায়l বাড়িতে আগুন লেগে ছাই হয়ে যায় আসবাবপত্র। ঘটনায় গুরুতর জখম হন দুজনl তাদের মধ্যে রতন করের মৃত্যু হয় কটকের একটি হাসপাতালে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *