স্বরূপ দত্ত, উত্তর দিনাজপুর, ২৮ অক্টোবর: সামনেই দীপাবলী অর্থাৎ আলোর উৎসব। এই দিনটিতে গৃহকোন সেজে ওঠে প্রদীপ, মোমবাতি আর রঙবেরঙের আলোতে। রায়গঞ্জের মোমবাতি কারখানাগুলিতে এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নাওয়াখাওয়া ভুলে মোমবাতি তৈরী করে চলেছেন শ্রমিকেরা।
একটা সময় চাইনিজ আলোর দাপটে কোনঠাসা হয়েছিল প্রদীপ, মোমবাতি। কিন্তু গত বছর করোনা সংক্রমণের কারনে চাইনিজ আলোর বিক্রি এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল। সেই জায়গার দখল নিয়েছিল স্থানীয় শ্রমিকদের বানানো মোমবাতি। মোমবাতির উজ্জ্বল শিখা দীপাবলি উৎসবে আলাদা একটা মাত্রা বহন করে। করোনা সংক্রমণের গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যে। এই পরিস্থিতিতে এবছরও চাইনিজ লাইট নিয়ে অনীহা রয়েছে অনেকেরই। সে তুলনায় অনেক বেশী নিরাপদ স্থানীয় কারখানায় তৈরী মোমবাতি।

রায়গঞ্জ শহরে কয়েকটি মোমবাতি তৈরীর কারখানা রয়েছে। সেগুলিতে এখন জোরকদমে চলছে মোমবাতি তৈরীর কাজ। শ্রমিকরা জানিয়েছেন, “এবছর মোমবাতির ভালো চাহিদা রয়েছে। সেকারনে বেশী কাজ করতে হচ্ছে।” কারখানার মালিক দেবাংশু সাহা বলেন, “মোমবাতির ব্যবসা আগের মতো নেই। টুনি বালব, এল ই ডি লাইটের কারনে ব্যবসা অনেকটাই মার খেয়েছে। তবে অর্ডার অনুযায়ী এবছরও মোমবাতি বানাচ্ছি আমরা।”

দীপাবলী উৎসবের সন্ধ্যায় গলি থেকে রাজপথ সেজে উঠবে উজ্জ্বল আলোক শিখায়। আর সেকারনেই রায়গঞ্জের মোমবাতি কারখানায় এখন তুমুল ব্যস্ততা।

