অমরজিৎ দে, ঝাড়গ্রাম, ২১ মার্চ: “ভয় পাবার কারণ নেই। দিদি ভাঙ্গা পায়েই দশ গোল দিতে পারে। মানুষ আছে দিদির সাথে। হাল ছাড়বেন না। এই লড়াইটা মান সম্মানের লড়াই, মানুষকে ভাল রাখার লড়াই।মান, অভিমান পিছনে রেখে দলকে এগিয়ে রাখুন। দল থাকলে আমরা সবাই ভাল থাকবো। যারা হিন্দু, মুসলিম নিয়ে রাজনীতি করে তাদের খেলা শেষ হবে। যারা মিথ্যা প্রচার করে তাদের খেলা শেষ হবে। বিষ্ণুপুর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী দেবনাথ দাস প্রচারে এসে কথাই বললেন তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী।
তিনি আরো বলেন “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যা কাজ করেছেন তার সত্তর বছরে কেউ করে দেখাতে পারেনি।জঙ্গলমহলের মানুষ জানেনে দিদি কতটা কাজ করেছেন।রাস্তাঘাট অনেক ভাল হয়ে গিয়েছে। এখানকার বাসিন্দারা জানেন, জঙ্গলমহল আগে জ্বলছিল।এখন ততটাই শান্তিতে আছে।আমাদের সরকারের চেষ্টা এবং মানুষের চেষ্টায় তা সম্ভব হয়েছে। অনেকে বলছে বড়বড় নেতারা চলে যাচ্ছে বলে দল একটু কমজোর হচ্ছে। কিন্তু না, জেলায় জেলায় ঘুরছি মানুষের
জন সমুদ্র আরেও বেড়েছে।বাংলার দশ কোটি মানুষ আমাদের নেতা। আমাদের ভগবান। এই ধর্মের রাজনীতি করতে করতে ব্রিটিশরা আমাদের উপর ২৫০ বছর রাজত্ব করেছে। আর ধর্মের রাজনীতি নয়। বাংলায় নয়।বাংলায় হিন্দু, মুসলিম, শিখ, ইসায় সহ সব ধর্মের লোক ভালো ভাবে থাকবে। হাসিখুশি থাকবে। এখানে হিন্দু, মুসলিমকে আলাদা করার কোনও জায়গা নেই।এখানে একটাই কাজ উন্নয়ন।আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি বাংলায় নারীরা সব থেকে বেশি সুরক্ষিত। বলা হচ্ছে বাংলায় গুজরাট মডেল করা হবে। তাই যদি হয় তাহলে ট্রাম্প যখন এসেছিল তখন দুদিকে দেওয়াল তোলা হয়েছিল কেন? যে সরকার মানুষের জন্য কাজ করবেন ভোটটা তাকে দেবেন। যারা আজ সোনার বাংলা বলছে ২০১৪ আগে ওনারা বলেছিল দেশটাকে সোনার চিড়িয়া করবে।”

এদিন দেব তার বক্তব্যে বলেন, ২০১৪ সালের ভোটের আগে বিজেপি বলেছিল বছরে দুকোটি চাকরি হবে, পেট্রল, ডিজেলের দম কমবে। যা যা প্রতিশ্রতি দিয়েছিল সেগুলির কোনওটাই হয়নি। পঞ্চাশ বছেরে চাকরির অবস্থা খারাপ হয়েছে। গরিব মানুষ আরেও গরিব হয়েছে। এই সাত বছরে বড় লোকরা আরেও বড় লোক হয়েছে। বলে তোপ দাগেন দেব। সেই জায়গায় রাজ্য সরকার কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজ সাথী, স্বাস্থ্য সাথী কার্ড, লক ডাউনে বিনা মূল্যে রেশেন সহ আরও যা যা উন্নয়ন মূলক প্রকল্প করেছে তার খতিয়ান তুলে ধরে উন্নয়নে যে সরকার পাশে আছে সেই তৃণমূলকে ভোট দেবার আবেদন করেন।

