আমাদের ভারত, ১১ মে:
দেশের অসংখ্য চিকিৎসক নার্স তথা স্বাস্থ্যকর্মীদের মতো করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে শামিল হয়েছে দেশের তিন সেনাও। এই পরিস্থিতিতে তিন বাহিনীর মধ্যে কাজ করার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ণ সমন্বয় দেখা গেছে। একই সঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষায় সমানভাবে তৎপর রয়েছে বাহিনী বলে জানিয়েছেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্যপরিসেবা। কোভিড রোগীর চিকিৎসায় হাসপাতালের বেড, অক্সিজেন নিয়ে হাহাকার চলছে। এই আবহে করোনারি বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সশস্ত্র বাহিনী।
সোমবার একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জেনারেল বলেন, “যেসব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংক্রমণের সংখ্যা বেশি সেগুলোকে চিহ্নিত করে সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ করছে সেনা। আমরা অক্সিজেন কনসেনট্রেটর কিনে ধীরে ধীরে সরবরাহের ব্যবস্থা করব। অন্তত পাঁচ হাজার অক্সিজেন কনসেনট্রেটার জোগাড়ের ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা করছি। গ্রামীণ এলাকাগুলিতে তিন বাহিনী সম্মিলিতভাবে তা সরবরাহের কাজ করছে। এমনকি বিদ্যুৎহীন এলাকাতে জেনারেটরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহে বায়ুসেনা কাজ করছে। একইসঙ্গে লাদাখে অতিরিক্ত বাহিনী পৌঁছাচ্ছে বায়ুসেনা।”
তিন বাহিনীর মধ্যে এই সমন্বয় আগে কখনো দেখেননি বলে জানান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেন, করোনার মোকাবিলায় সমস্ত রাজ্যকে আমরা ব্যবহার করার চেষ্টা করছি। অন্যদিকে করোনার পাশাপাশি লাদাখে চিনের মতো শত্রুর বিরুদ্ধে সদা সজাগ রয়েছে বাহিনী। সীমান্তে তাদের মোতায়েনের আগে নিয়মিত কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেনারেল। তিনি বলেন, সামনের সারির যোদ্ধাদের মধ্যে যাতে সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

