দার্জিলিঙয়ে পর্যটকের ঢ্ল, বাড়তি পাওনা তুষারপাত

আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ২৫ ডিসেম্বর: বড়দিনের ছুটি কাটাতে পাহাড়ে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। দেখে মনে হতেই পারে করোনার জন্য গত দুই বছর যেন দমবন্ধ করে কাটিয়েছে সকলে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতেই আনন্দ লুটেপুটে নিতে হাজির সব্বাই। আর তাই পাহাড়ে একটি হোটেলেও জায়গা নেই। শুধু তাই নয় হোম স্টে পর্যন্ত হাউসফুল। আর ছুটি কাটাতে এসে তুষারপাত তাদের কাছে বাড়তি পাওনাই বটে।

শনিবার সকালে ম্যালে পা ফেলার জায়গা ছিল না। তার ওপর আবার পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য ছিল গান-বাজনার ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন স্টল। তাই সকাল থেকে সেখানেই কাটিয়ে দিয়েছেন পর্যটকরা। বেহালা থেকে আসা পিয়ালি রায় বলেন, ক্রিসমাস কাটাতেই এখানে আসা। দারুণ লাগছে খুব আনন্দ করছি। ঠান্ডাও বেড়েছে তা ভীষণভাবে উপভোগ করছি। আবার দমদম থেকে আসা সুমিতা ঘোষ বলেন, বরফ পড়ার খবর পেয়েই ছুটে এসেছি সান্দাকফু। হালকা বরফ পড়েছে তবু দার্জিলিং ঘুরতে এসে আমাদের কাছে এটা বাড়তি পাওনা।

বড়দিনে প্রতিবছর ভিড় হয় পাহাড়ে। কিন্তু করোনার কারণে গত দুই বছর ফাঁকা ছিল পাহাড়। এবার তিলধারণের জায়গা নেই পাহাড়ে। এর মধ্যেই শুক্রবার রাত থেকে সান্দাকফু, সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যান, ধোত্রে সহ টুমলিং এ তুষারপাত শুরু হয়েছে। এমনকি সোনাদা সংলগ্ন চটকপুরেও তুষারপাত হয়েছে। আগামি ৩০ডিসেম্বর পর্যন্ত এরকম আবহাওয়া থাকবেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। অর্থাৎ বর্ষশেষে পাহাড় ঢাকা পড়তে চলেছে বরফে। এপ্রসঙ্গে সিকিম আবহাওয়া দফতরের আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, মরশুমের প্রথম তুষারপাত শুরু হয়েছে। দার্জিলিং ছাড়া সিকিমের লাচেন, বুদ্ধ পার্ক সহ ছাঙ্গুতেও বরফ পড়েছে। আগামি ৩০ডিসেম্বর পর্যন্ত এই আবহাওয়া থাকবে। তাই ২৮-২৯ ডিসেম্বর ঘুমেও তুষারপাত হওয়ার প্রবল সম্ভবনা রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *