আমাদের ভারত, জলপাইগুড়ি, ৪ জুন: “বাবা মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমে আক্রমণের শিকার হয়েছেন,” সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন জলপাইগুড়ি তৃণমূলের এসটি, এসসি সেলের সভাপতি কৃষ্ণ দাসের মেয়ে। তিনজন গ্রেফতার হলেও যুব তৃণমূলের নেতা সহ মোট ২২জন যুক্ত রয়েছেন এই ঘটনায় বলে অভিযোগ। যদিও জেলা তৃণমূল সূত্রের দাবি, এটা রাজনৈতিক ঘটনা নয়।
ঘটনায় সূত্রপাত শুক্রবার রাতে। জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের বারোপাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা জেলা তৃণমূলের এসটি, এসসি সেলের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাস নিজের খাসতালুক পাতকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের ডোডোলিয়া বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানে যান। এলাকার মহিলারা কৃষ্ণকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। এরপর প্রশাসনকে জানিয়ে কৃষ্ণ মাদক বিরোধী অভিযানে নামেন। অভিযোগ, সেই সময় কৃষ্ণের উপর আক্রমণ করা হয় পরিকল্পিতভাবে। নিজের খাসতালুকেই আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।

রবিবার জলপাইগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করলেন কৃষ্ণের মেয়ে প্রনৈতা দাস। তিনি বলেন,”আমার বাবাকে খুব খারাপ ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে। এলাকার মহিলারা মাদকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছিল। এই কারণে ওই এলাকায় যায়, সেখানে আক্রমণের শিকার হন আমার বাবা। আমি চাইবো প্রশাসন বিষয়টি দেখুক। আজ আমি এখানে কোনো রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আসিনি। আমার বাবা আইন নিজের হাতে নেয়নি এবং দাদাগিরিও করেননি। কারণ একজন নাগরিক ও নেতা হয়ে মহিলাদের অভিযোগ পেয়ে খতিয়ে দেখাটা তাঁর কাজ। প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তিনজন গ্রেফতার হলেও মোট ২২জন যুক্ত আছেন। আজ এখানে এসেছি কারণ আমার বাবার সঙ্গে অন্যায় হয়েছে এর সঠিক বিচারের জন্য।”
তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ বলেন, “নেশাগ্রস্তরা আক্রমণ করেছে আমার অনুমান। তবে বিভিন্ন এলাকায় মদের কারবার চলছে জনপ্রতিনিধিদের কাছে অভিযোগ আসে। কৃষ্ণের মেয়ে আবেগে সাংবাদিক করেছেন। আমি খোঁজ নিয়েছি অস্ত্রোপচার হয়েছে বাড়ি ফিরলে দেখা করব। পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা হয়েছে অনুরোধ করেছি মদের কারবার বন্ধ করার জন্য।”

