Midnapur College, মেদিনীপুর কলেজ (স্বশাসিত)- এর সাংস্কৃতিক জয়রথ, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঝলমলে পারফরম্যান্স

পার্থ খাঁড়া, আমাদের ভারত, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪ ডিসেম্বর: শীতের কুয়াশায় মোড়া ক্যাম্পাসে গত ২২ ও ২৩ ডিসেম্বর বিদ্যাসাগর ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গনে জমে ওঠে আন্তঃমহাবিদ্যালয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায়।বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজের তরুণ প্রতিভারা নেমেছিলেন সেরার সেরা হওয়ার লড়াইয়ে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক দীপক কুমার কর। পাশে ছিলেন রেজিস্ট্রার ডঃ জয়ন্ত কিশোর নন্দী, আর ডিন অফ স্টুডেন্টস’ ওয়েলফেয়ার ডঃ অশোক কুমার, — সকলেই যেন সাক্ষী হয়ে রইলেন তারুণ্যের আলো মাখা এক সৃষ্টি এবং কৃষ্টির উৎসবের।

এই মঞ্চে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়ালো মেদিনীপুর কলেজ (স্বশাসিত)। ১৯টি পুরস্কার—এক অভূতপূর্ব সংখ্যা—আর তার মধ্যে সাতটি প্রথম স্থান: ডিবেট (পক্ষে), কার্টুনিং (একক), স্কিট, সমবেত গান, ওয়েস্টার্ন ভোকাল (একক), রবীন্দ্র সঙ্গীত (একক) আর ক্লাসিক্যাল ড্যান্স (একক)। প্রতিটি বিভাগেই তাদের পারফরম্যান্স ছিল নিখুঁত—যেন প্রতিভা আর প্রস্তুতির মিলনমেলা।

দ্বিতীয় স্থান এসেছে মাইম, পারকাশন (একক), ফোক ড্যান্স, স্পট ফটোগ্রাফি (একক), কোলাজ (একক) আর লাইট ইন্ডিয়ান ভোকাল (একক)-এ। আর তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে কুইজ, স্পট পেইন্টিং (একক), ক্লে মডেলিং (একক) আর ডিবেট (বিপক্ষে)—যেখানে বুদ্ধি, দ্রুততা আর কল্পনার খেলা চোখে পড়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বড় সম্মান হলো—‘চ্যাম্পিয়ন অফ চ্যাম্পিয়ন্স’ ট্রফি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বেশি পুরস্কার পাওয়া কলেজ হিসেবে মেদিনীপুর কলেজ যখন এই ট্রফি তুলে নেয়, তখন মঞ্চে ছিলেন কালচারাল কো অর্ডিনেটর অধ্যাপক পার্থ প্রতিম মাইতি আর সমস্ত বিজয়ী ছাত্র-ছাত্রীরা—হাতে ট্রফি, চোখে গর্ব, মনে আশা।

কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ অসিত পান্ডা এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এটা শুধু পুরস্কারের জয় নয়, এটা আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের শিক্ষা আর আমাদের তরুণ মনের জয়।” আর এই বিজয়ীদের পরবর্তী গন্তব্য? ইস্টার্ন জোন যুব উৎসব। সেখানে মেদিনীপুরের নাম আবারও উজ্জ্বল হবে—এবার আরও বড় মঞ্চে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *