আমাদের ভারত, ১৫ ডিসেম্বর:এক সময়ের মাও অধ্যুসিত এলাকার হিসেবে পরিচিত ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী সংলগ্ন বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করলেন সিআরপিএফের পশ্চিমবঙ্গ সেক্টরের আইজিপি মনোজ কুমার দুবে ও ডিআইজি শ্রী জে পি কে রায়। দুইদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা তাঁরা ঘুরে দেখেন। কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। একাধিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী তাদের তুলে দেন সিআরপিএফের এই দুই আধিকারিক। কথা বলেন, ওই এলাকায় মোতায়েন দুটি ব্যাটালিয়নের জওয়ানদের সঙ্গেও।
মাও অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিমবঙ্গ-ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী সংলগ্ন এলাকায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সিআরপিএফের জওয়ানদের প্রতিনিয়ত যোগাযোগ ও ভালো সম্পর্কের কারণেই এই পরিবেশ সেখানে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষের সুখে দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছে সিআরপিএফ। গ্রামের গরিব ছেলেমেয়েদের জন্য কোচিং এর ব্যবস্থা করেছে সিআরপিএফের জওয়ানরা, যাতে পড়াশোনা করে গ্রামের যুবসমাজ সঠিক পথে এগিয়ে যায়। পড়াশোনা করলে তাদের ভুল পথে পরিচালিত হওয়া আটকানো সম্ভব, সেই কারণেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে সিআরপিএফের তরফে। একাধিক প্রকল্পের আওতায় এই কাজ চলছে। জওয়ানরা প্রতিদিন করছেন। সেই সব কাজ কেমন ভাবে এগোচ্ছে তাই খতিয়ে দেখতে এই সফর ছিল আইজিপির।

আইজিপি মনোজ কুমার দুবে দুই দিনের সফরে সিআরপিএফের ১৮৪ নং ব্যাটালিয়ন ও একটি মহিলা ব্যাটালিয়নের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে তিনি ব্যটালিয়নগুলির অফিসার ও জওয়ানদের সাথে মতবিনিময় করেন, ক্যাম্পাস এলাকা পরিদর্শন করেন। জওয়ানদের সুবিধা অসুবিধার খোঁজ নেন। এলাকার নিরাপত্তা বিষয়েও আলোচনা করেন। আইজি সেখানে একটি সৈনিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।

সফরের দ্বিতীয় দিন আইজি ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি থানার সীমান্তবর্তী এলাকার আমতোলিয়ায় যান। সেখানে সিআরপিএফ পরিচালিত “প্রকল্প স্বাভিমান আমতালিয়া”র বিভিন্ন কাজকর্ম খতিয়ে দেখেন। একটি বৃক্ষরোপণ করেন তিনি। কথা বলেন সেখানকার সাধারণ মানুষ এবং যুবকদের সঙ্গে। সিভিক অ্যাকশন প্রোগ্রাম (ক্যাপ) এর অধীনে প্রতিবন্ধী যুবকদের আধুনিক সরঞ্জাম এবং দরিদ্র ও অভাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার উপকরণ বিতরণ করেন।


