পিন্টু কুন্ডু, বালুরঘাট, ৬ ডিসেম্বর: দিনের আলোতেই গোরু পাচারের ছক দক্ষিণ দিনাজপুরে। পতিরাম থানার পাগলীগঞ্জ থেকে উদ্ধার কয়েক লক্ষ টাকার গোরু। বুধবার বিকেলে এই ঘটনাকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েই সুদূর হরিয়ানা থেকে আগত প্রায় ১২টি গোরু এদিন উদ্ধার করেছে ১৩৭ নম্বর বিএসএফ ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। উদ্ধার হওয়া গোরুগুলি বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যেই জমা করা হয়েছিল বলে দাবি করেছে বিএসএফ। যার বাজার মূল্য ভারতীয় মুদ্রায় কয়েক লক্ষ টাকা বলেও দাবি করেছে বিএসএফ।

জানা যায়, এদিন বিকেলে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পতিরাম থানার পাগলীগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা অমূল্য বিশ্বাসের একটি গোডাউনে হানা দেয় ১৩৭ নম্বর বিএসএফ ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। যে গোডাউন খুলতেই কার্যত চোখ কপালে ওঠে সেনা জওয়ানদের। যেখান থেকেই উদ্ধার হয় সুদূর হরিয়ানা থেকে আনা বড় মাপের ৮টি গোরু। একই সাথে খোকন বর্মন নামে অপর এক বাসিন্দার বাড়ি থেকেও একই মাপের ৪টি গোরু আটক করেছে বিএসএফ জওয়ানরা। দিনের আলোতেই যে গোরুগুলি আত্রেয়ী নদী পার করে আনা হয়েছিল সেখানে। যেখান থেকে রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশে পাচার করাই উদ্দেশ্য ছিল পাচারকারীদের, বলে জানতে পেরেছে বিএসএফ। যার গোপন খবরের ভিত্তিতে পতিরাম হেডকোয়াটার থেকে বিএসএফ জওয়ানরা গিয়ে লক্ষাধিক টাকার ওই গরুগুলি উদ্ধার করে।
যদিও এই ঘটনায় কাউকেই আটক করতে পারেনি বিএসএফ জওয়ানরা। তবে যে গোডাউনে গোরুগুলিকে মজুত করে রাখা হয়েছিল সেই গোডাউন মালিকের খোঁজে তদন্তে নেমেছে ১৩৭নং বিএসএফ ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। শুধু তাই নয়, সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে কিভাবে এই গোরুগুলিকে এখানে আনা হয়েছিল এবং এই ঘটনার সাথে আর কারা কারা জড়িত রয়েছে তা নিয়েও জোর তদন্তে নেমেছে বিএসএফ। যদিও এব্যাপারে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে চাননি বিএস এফ আধিকারিকরা।

