আমাদের ভারত, ২৪ ফেব্রুয়ারি:চলতি বছরের জুন জুলাই মাসের মধ্যে ৩০ কোটি দেশবাসীকে করোনার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেন্দ্র। প্রথম পর্যায়ে তিন কোটি চিকিৎসাকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের মধ্যে টিকাকরণের আওতায় এসেছে ১ কোটি ২১ লাখ মানুষ। তাই আর দেরি না করে ১ মার্চ থেকে বয়স্কদের টিকা দেওয়া শুরু করবে সরকার বলে ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। তিনি জানিয়েছেন সরকারি হাসপাতালগুলো ছাড়াও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও করোনার টিকাকরনের কাজ শুরু হবে।
প্রকাশ জাভেড়েকার জানিয়েছেন প্রথম পর্বে এক কোটির বেশি স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ১২টি রাজ্যের প্রায় ৬০% স্বাস্থ্যকর্মী ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে পুলিশ প্রশাসন ও ফ্রন্টলাইন কর্মীদের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে ষাটোর্ধ্ব প্রবীণদের টিকা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে কোমর্বিডিটি রোগীরাও টিকা পাবেন। যাদের বয়স ৪৫ -৫০ বছরের মধ্যে ও শরীরের অন্যান্য রোগ রয়েছে তাদেরকে টিকা দেওয়া হবে।
সরকারি হাসপাতালগুলো থেকে বিনামূল্যে করোনার টিকা পাওয়া যাবে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে দাম দিয়ে টিকা কিনতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে করোনা টিকার দাম কত হবে তা আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে জানিয়ে দেবে সরকার। কিছুদিন আগেই সিজিআই কেন্দ্রের কাছে আবেদন করেছিল বেসরকারি ক্ষেত্রকে টিকাকরণের আওতায় আসার বেশি করে সুযোগ দেওয়া হোক। সিজিআই-এর প্রধান উদয় কোটাক প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখে জানিয়ে ছিলেন, কম সময়ের মধ্যে অনেক বেশী মানুষের কাছে টিকা পৌঁছাতে বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকেও টিকাকরণের অনুমতি দেওয়া হোক। সরকার যেভাবে টিকাকরণের পরিকল্পনা নিয়েছে সেই অনুযায়ী বেসরকারি ক্ষেত্রকেও সুযোগ দেওয়া হোক।
এখনো পর্যন্ত সূত্রে খবর ১০ হাজার সরকারি ও ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতাল থেকে করোনার টিকা দেওয়া হবে। কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। বয়স্কদের জন্য বিশেষ সুবিধা দিতে নিজের পছন্দমত টিকা কেন্দ্র বেছে নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এতে কাছাকাছি সুবিধামতো কেন্দ্রে গিয়ে টিকার ইনজেকশন নেওয়া যাবে। কো-উইন অ্যাপের ০.২ ভার্সেনে জিপিএসের সুবিধা রয়েছে। এই অ্যাপে সেলফ রেজিস্ট্রেশনের সুবিধা থাকবে। কোউইন পোর্টালে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আধার কার্ড বাধ্যতামূলক নয়। টিকা নেওয়ার জন্য মোবাইল অ্যাপের পাশাপাশি কো-উইন পোর্টালের মাধ্যমেও নাম নথিভুক্ত করা যাবে।

