আমাদের ভারত, ২৪ জুলাই: পুজোর আগে, সেপ্টেম্বরেই সম্ভবত ভারতের শিশুদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়ে যেতে পারে বলে জানালেন দিল্লি এইমস প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। করণা মোকাবিলায় এটি অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ হতে চলেছে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
করোনার কোন ভ্যাকসিন শিশুরা পাবেন তা জানতে চাইলে গুলেরিয়া জানান, ইতিমধ্যেই জাইডাস তার ট্রায়াল শেষ করেছে। আপাতত তারা জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহারের ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষা করছে। আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বরের মধ্যেই ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিনের ট্রায়ালও শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এফডিএ ফাইজারের ভ্যাকসিনকেও ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই দেশের শিশুদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু করা যাবে।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকেই দেশে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। এখনো পর্যন্ত ৪২ কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের শেষে দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র সরকার। এদিকে গুলেরিয়া আজ বলেন, বয়স্ক ও যারা অসুস্থ তাদের সবথেকে বেশি বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সংক্রমণের সম্ভাবনা তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। কিন্তু বাচ্চারাও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। সেই কারণেই তাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ওদের সংক্রমণ তেমন তীব্র হয়তো হবে না কিন্তু বড়দের সংক্রমিত করে ফেলবে ওরা। যার ফলে বড় ক্ষতি হতে পারে। তাই বাচ্চাদের ভ্যাকসিন দেওয়া এবং সংক্রমণের শৃংখল ভাঙা অত্যন্ত জরুরী।
শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১২-১৭ বছরের বাচ্চাদের মডার্নার ভ্যাকসিন দেওয়ার ছাড়পত্র দিয়েছে। মে মাসে ১২-১৫ বছর বয়সীদের ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়া ছাড়পত্র দিয়েছে আমেরিকা।

