আমাদের ভারত, ১৭ মার্চ: চিনে নতুন করে ওমিক্রনের নয়া স্ট্রেনের দাপট শুরু হয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আবারও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আক্রান্তের সংখ্যার বিচারে চিনকে টেক্কা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। একদিনে সে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে চার লক্ষ। অন্যদিকে ইজরাইলে আবার নতুন করে নয়া কোভিড স্ট্রেনের দেখা মিলেছে। ফলে সবমিলিয়ে গোটা বিশ্বে করোনা পরিস্থিতি আবারও সংকটজনক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তাই আগেভাগেই আধিকারিকদের সতর্ক করেছে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেসব দেশে করোনার দাপট বেড়েছে সেই দেশগুলি পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখতে। একই সঙ্গে সমস্ত রকমের প্রস্তুতিও নিতে বলা হয়েছে। তবে এখনো আশার বিষয় যে এই দেশগুলিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও ভারতে এখনো পরিস্থিতি তেমন অবনতি হয়নি।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করানো আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ২৫৩৯ জন। যা তার আগের দিনের তুলনায় সামান্য বেশি ছিল। সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও চিন্তায় রাখছিল দেশের মৃত্যুহার। তবে গত কয়েক দিনে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে মৃত্যু হার। একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ জন। দেশে এখনো পর্যন্ত করোনার বলি ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩২ জন। দেশের অ্যাক্টিভ কেস কমতে কমতে নেমে এসেছে তিরিশ হাজারের ঘরে। বর্তমানে দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩০ হাজার ৭৯৯। সক্রিয় কেসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ০.০৭ শতাংশে। স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হারও। পরিসংখ্যান বলছে এখনো পর্যন্ত দেশে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৬ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৫ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৪ হাজার ৪৯১ জন। সুস্থতার হার ৯৮.৭৩ শতাংশ। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য বলছে এখনো পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৮০ কোটি ৮০ লক্ষেরও বেশি করোনার টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করিয়ে দিয়েছে সংক্রমণ থেকে বাঁচতে জোড়া ডোজের পর বুস্টার ডোজের প্রয়োজন। টিকাকরণের পাশাপাশি টেস্টিং চালিয়ে যেতে হবে।

