দার্জিলিংয়ে ফের বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, সপ্তাহে একদিন বাজার বন্ধ রেখে স্যানিটাইজের সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

আমাদের ভারত, শিলিগুড়ি, ১৮ জুলাই: দার্জিলিং জেলায় ফের বাড়তে শুরু করেছে করোনার সংক্রমণ। তাই বাজার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। পাশাপাশি প্রতিটি বাজারকে সপ্তাহে একদিন বন্ধ রেখে স্যানিটাইজের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ব্যাবসায়ী সমিতিগুলো। ইতিমধ্যেই তারা প্রতিটি বাজারকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত পাহাড় থেকে সমতল সব বাজারের জন্যই। তবে ফুলেশ্বরী বাজার বন্ধ করা নিয়ে প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা ওই এলাকার বাসিন্দা শঙ্কর ঘোষ।
 
শিলিগুড়িতে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৮৫টি বাজার রয়েছে। গোটা দার্জিলিং জেলায় ১০০ -র বেশী। প্রতিদিন প্রতিটি বাজারেই কমবেশী ভিড় হয়। রবিবার তো সব বাজারেই ভিড় উপচে পড়ে। আর তাই ক্রেতা বিক্রেতাদের স্বার্থে সপ্তাহে একদিন বাজার বন্ধ করে স্যানিটাইজ করা হবে। প্রশাসনের নেওয়া এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বৃহত্তর শিলিগুড়ি খুচরো ব্যবসায়ী সমিতি। এই সমিতির অধীনেই রয়েছে ৮৫টি বাজার।

সমিতির সম্পাদক বিপ্লব রায় মুহুরি বলেছেন, প্রশাসনের নির্দেশ পালন করেই আমরা বাজার চালাবো। করোনা রুখতে সপ্তাহে একদিন করে স্যানিটাইজের দরকার রয়েছে। গতবার বাজার স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। এবারও সেই নির্দেশ দিলে আমরা মেনে নেবো। পাহাড় থেকে সমতল সব জায়গায় একই নিয়ম চালু করা হয়েছে। জেলার প্রতিটি বাজারই সপ্তাহে একদিন করে বন্ধ করা হবে স্যানিটাইজের জন্য। শনিবার পাহাড়ে সুখিয়াপোখরিতে বাজার স্যানিটাইজ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জেলাশাসক এস পুন্নমবলম বলেন, গত সপ্তাহের হিসেব অনুযায়ী আমরা ফুলেশ্বরী বাজারকে বন্ধ করেছি। কারণ তথ্য অনুযায়ী ২৪নম্বর ওয়ার্ডেই সংক্রমণ বেশী। এদিকে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের চরম বিরোধিতা করেছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তার বক্তব্য আমি ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আর এই ওয়ার্ডের অন্তর্গত ফুলেশ্বরী বাজার। এখানে গত ৩দিনে কেউ আক্রান্ত হননি। এমনকি গত ১৭দিনেও অন্য ওয়ার্ডের চেয়ে সংক্রমণ কম। তাহলে এই বাজার বন্ধ করার পেছনে রাজনৈতিক কোনও উদ্দ্যেশ্য রয়েছে। আসলে নিজেদের ব্যার্থতা ঢাকতেই এরকম হাস্যকর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই পুরবোর্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *