আমাদের ভারত, ২৯ এপ্রিল: রামায়ণে নাকি করোনা ভাইরাসের উল্লেখ করা হয়েছিল। তুলসীদাসী রামায়ণে করোনার উল্লেখ রয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় হচ্ছে এবং তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। ষোড়শ শতকে হিন্দিতে রামায়ণ অনুবাদ করেন তুলসীদাস। সেই রামচরিতমানসে তুলসীদাস শত শত বছর আগে করোনার ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন বলে দাবি করেছেন অনেকেই।
বাদুরকে ঘিরে এই দাবি তুলসীদাস রামায়ণের একটি দোহায় রয়েছে। বাদুরের উল্লেখ করা হয়েছে দোহায়। বাদুড় থেকে ছড়িয়ে যাওয়ার রোগের উল্লেখ রয়েছে,এর থেকেই চর্চার সূত্রপাত হয়েছে।
করোনায় টালমাটাল পরিস্থিতি গোটা দেশের। প্রতিদিন ব্যাপক হারে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃতের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। সেখানে বলা হয়েছে তুলসীদাস রামচরিতমানসে করোনা অতিমারীর উল্লেখ রয়েছে।
রামচরিত মানসের যে দোহাটিকে ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায়, সেই দোহাটির পাতার ছবিও আপলোড করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এটি হলো রামচরিত মানসের ১২০ নম্বর দোহা। তাতে বলা হয়েছে, যেসব বোকা মানুষ সকলের নিন্দা ও সমালোচনা করে বেড়ান, তারা পরের জন্মে বাদুর হয়ে জন্মান। আর তাদের থেকে অসুখ ছড়িয়ে পড়ে, যা সবার দুঃখ কষ্টের কারণ হয়। এই অসুখটি সম্পর্কে বলা হয়েছে, বায়ু-পিত্ত-কফ একসঙ্গে মিলে খুব জ্বর আসে। এই অসুখ সহজে ছেড়ে যাবে না এবং বহু মানুষের যন্ত্রণার কারণ হবে।
যেহেতু চিনে প্রথম বাদুড় থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে ছিল বলে ধারণা, তাই রামচরিত মানসে উল্লেখিত এই রোগটিকে করোনাভাইরাসের পূর্বাভাস বলেই দাবি করছেন কেউ কেউ। আবার অনেকেই এই যুক্তি মেনে নিতে চাননি।

