পাওয়া যাচ্ছে ভাইরাসের নতুন নতুন প্রজাতি, আরো ভয়ঙ্কর হতে পারে করোনা ভারত সহ একাধিক দেশে, মত গবেষকদের

আমাদের ভারত, ১৯ মে:প্রায় প্রতিনিয়ত নিজেকে পাল্টে ফেলছে করোনা ভাইরাস। এতে বাড়ছে তাদের সংক্রমনের ক্ষমতা। এই ভাইরাসের প্রাপ্ত নয়া প্রজাতি দেখে গবেষকদের একাংশের মতে ভবিষ্যতে ভারত সহ বিভিন্ন দেশে করোনার আরো সংক্রামক হয়ে উঠতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল ২০২০-র অক্টোবরে ভারতে করোনা ভাইরাসের বি,১,৬১৭ প্রজাতিটির সন্ধান মিলেছে। সেই কারণেই এটিকে ভারতীয় প্রজাতি বলা হচ্ছে। পরবর্তীতে এই প্রজাতিটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। দু’বার জিনগত চরিত্র বদলের কারনেই এটিকে ডবল মিউট্যান্ট বলা হয়। এটির সংক্রমণ ক্ষমতাও অন্য প্রজাতির থেকে বেশি।

তবে এই প্রজাতি ভারতে বেশি ছড়ালেও এর জিনগত বৈচিত্র পর্যালোচনা করে এটাকে ভারতীয় বলে চিহ্নিত করা যায় না বলে মত গবেষকদের একাংশের। তাদের মতে এর উৎপত্তি হয়েছে ব্রিটেনে।

নেচার নামক এক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পরবর্তী সময় তিন দফার জিনের গঠন বদলানো করোনাভাইরাস বি,১৬১৮-র সন্ধান পাওয়া গেছে পশ্চিমবঙ্গ সহ কয়েকটি রাজ্যে। যদিও দিল্লি ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ডিরেক্টর সুরজিৎ সিংহের মতে এর সংক্রমণের ক্ষমতা বি,১.৬১৭ এর ক তুলনায় কম। অর্থাৎ ভাইরাসের রূপের বদল ঘটলেই যে সেটা বেশি সংক্রামক হয়ে উঠবে তা নাও হতে পারে।

গত বছরের গোড়ার দিকে ভারতে করোনার যে প্রজাতি সংক্রমিত হতে শুরু করেছিল তা এখন অনেক বড় হয়ে গিয়েছে। জিনের গঠন বিন্যাসের বদল এর ফলে তৈরি হয়েছে ডি.৬১৪জিয়ের মতো প্রায় ১০ গুণ বেশি সংক্রামক প্রজাতি।মালয়েশিয়ায় এই প্রজাতির করোনাভাইরাস এর সন্ধান মিলেছে খুব সম্প্রতি।

২০২৯ গোড়ায় করোনাভাইরাস এর প্রথম পরিব্যাপ্ত প্রজাতির বি.১-এর খোজ মিলেছিল। তারপর দফায় দফায় নিজের চরিত্র বদলেছে ভাইরাস। সোনিপথের অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরাস বিজ্ঞানীদের মতে নিকট ভবিষ্যতে জিনের পরিব্যক্তির মাধ্যমে আরও সংক্রামক হয়ে উঠতে পারে করোনা ভাইরাস এর ভারতীয় প্রজাতি গুলি। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রবীন্দ্র গুপ্তাও ওনার সঙ্গে একমত।
গবেষণায় দেখা গেছে বি,১,৬১৭.২ প্রজাতি সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে প্রভাব ফেলেছে ব্যাপক। যাতে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *