আমাদের ভারত, ১১ মার্চ: লাগামহীন ভাবেই মহারাষ্ট্রের ফের করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। আর তাতেই উদ্বিগ্ন কেন্দ্র সরকার। নীতি আয়োগের সদস্য বি কে পল জানিয়েছেন,” মহারাষ্ট্রের করোনা সংক্রমনের হার বৃদ্ধিতে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন”। তিনি বলেন, দেশকে করোনামুক্ত করতে মহারাষ্ট্রের সংক্রমণকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক এদিন জানিয়েছে মহারাষ্ট্রের দশটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে আটটিতেই বহু সংখ্যক মানুষ করোনাই আক্রান্ত হয়েছেন। পুনে, নাগপুর,থানে, মুম্বাই,আমরাবতী, জয়গাঁও, নাসিরাবাদ, শহরে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে মানুষ।
আগামী ১৫-২১ মার্চ পর্যন্ত নাগপুরে লকডাউন জারি থাকবে বলে জানা গেছে। সেখানে হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। সেই কারণে উদ্ধব ঠাকরে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উদ্ধব ঠাকরে আরো ইঙ্গিত দিয়েছেন আগামী দিনে রাজ্যের আরো বেশ কয়েকটি অংশে লকডাউন জারি হতে পারে। তবে লকডাউনের মধ্যে খোলা থাকবে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা।
গত একমাস ধরে মহারাষ্ট্রের ফের করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘন্টায় নাগপুরে সংক্রমিত হয়েছেন ১৮০০ জন।
আজ উদ্ধব ঠাকরে নিজে এবং করোনার ভ্যাকসিন নেন। তারপরই তিনি বলেন, মনে হচ্ছে আরো কয়েকটি জায়গাতেও লকডাউন করতে হবে। বুধবার মহারাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৬৫৯ জন। সারা ভারতে যত জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে তার ৮৫ শতাংশই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। রাজ্যের প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় আংশিক লকডাউন বা নাইট কারফিউ জারি করা যেতে পারে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক সুত্রে খবর মহারাষ্ট্রে এইসময় ১ লক্ষেরও বেশি সক্রিয় রোগী রয়েছে। সংক্রমণ বেড়েছে মধ্যপ্রদেশ গুজরাট হরিয়ানাতেও।এযাবতকালে পশ্চিমবঙ্গেও সংক্রমণের হার কিছুটা বেড়েছে। পরপর কয়েক দিন রাজ্যের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ২০০ কাছাকাছি ছিল। গত ২৪ ঘন্টায় পশ্চিমবঙ্গে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৪১জন।

