আমাদের ভারত, ২৩ ফেব্রুয়ারি: দেশের ২৮ টি রাজ্য ও আটটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ১৬ জায়গায় নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে গত সপ্তাহ থেকে। কি কারনে ফের সংক্রমণ বাড়ছে তা খতিয়ে দেখতে জিনোম সিকোয়েন্স শুরু করেছে মহারাষ্ট্র ও কেরল। সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য করোনার নতুন প্রজাতির দায়ী নাকি অন্য কোনো কারণ আছে তাও আগামী তিন-চার দিনের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে হলে মন্ত্রক সূত্রে খবর।
অনেক আগেই আনলক পর্ব শুরু হয়েছে তবে তার মধ্যে নতুন করে করণা সংক্রমণ প্রশাসনের চিন্তা বাড়িয়েছে। সব রাজ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশি না হলেও সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় উদ্বেগও বেড়েছে। দেশের মোট সাতটি রাজ্যে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জানা যাচ্ছে। মহারাষ্ট্র কেরল ছাড়াও বেশ কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণের হার প্রশাসনিক কর্তাদের ঘুম উড়িয়েছে।
মহারাষ্ট্রে করোনার নতুন সংক্রমণের হিসেবে ৮১ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গেছে। মধ্যপ্রদেশে ৪৩ শতাংশ,পাঞ্জাবে ৩১ শতাংশ, জম্মু-কাশ্মীরে ২২ শতাংশ, ছত্রিশগড় ও হরিয়ানায় ১১ শতাংশ, চণ্ডীগড়ে ৪৩ শতাংশ বেড়েছে। তবে কর্ণাটক গুজরাটের নতুন করে সংক্রমণের হার তেমন বাড়েনি এই দুই রাজ্যে যথাক্রমে ৪.৬ ও ৪ শতাংশ হারে বেড়েছে সংক্রমণের হার।
উদ্বেগজনক ভাবে সংক্রমণের হার বেড়েছে মহারাষ্ট্র কেরলের সাথে তামিলনাড়ুতে। ১৫-২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কর্নাটকের ২৮৭৯ জন নতুন করে করণায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। কর্নাটকের সরকার মহারাষ্ট্র থেকে রাজ্যে আসা ব্যক্তিদের আরটিপিসিআর টেস্ট করাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উত্তরাখণ্ডের সরকারও মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড় থেকে আসা ব্যক্তিদের করোনা টেস্ট করাবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে ১৪৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। রাজ্যে এখনও করোনা সংক্রমনের মোট সংখ্যা ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। ১০২৫৮ জনের করোনা মৃত্যু হয়েছে। ৫ লাখ ৬০ হাজার ২১৯ জন করোনা মুক্ত হয়েছেন।

