আমাদের ভারত, ১৫ জুলাই: জাতপাত কিংবা ধর্ম কোনও কিছুই বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ভালোবেসেই মুসলিম প্রেমিকাকে বিয়ে করেছিলেন শিখ যুবক। কিন্তু সমস্যা তৈরি হতে শুরু করে বিয়ের কিছুদিন পর থেকে। যুবকের অভিযোগ জোর করে তাকে ও তার পরিবারকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য চাপ দিতে শুরু করেন তার বিবাহিতা স্ত্রী। এমনকি তাদের সন্তানকেও ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা চালিয়েছে তার স্ত্রী।
বেশ কিছু বছর সমস্যায় দিন গুজরান করলেও এবার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছে ঐ শিখ যুবক। বছর ৩৬-র ওই যুবক চন্ডীগড় জেলা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। পিটিশনে তিনি লিখেছেন, তার শিশুপুত্রকে ও পরিবারের লোকজনকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বাধ্য করছে তার মুসলিম স্ত্রী ও স্ত্রীর পরিবারের লোকজন।
২০০৮ সালে ওই মুসলিম মেয়ের সঙ্গে আলাপ ওই শিখ যুবকের।চণ্ডীগড়ের একটি স্টোরে সেলস ম্যানেজার ছিলেন যুবকটি। মেয়েটিও ওই একই স্টোরে কাজ করত। সেখান থেকেই আলাপ ও প্রেম। পরিবারের আপত্তি থাকলেও তারা বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই মেয়েটির পরিবার অশান্তি শুরু করে। যুবকটির পরিবারকে ধর্মান্তকরণের জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়া শুরু হয়। অশান্তি চরমে উঠল চাকরি ছেড়ে অমৃৎসরে পরিবার নিয়ে চলে যান যুবক। ২০১২ সালে তাদের সন্তান হয়। ওই যুবকের অভিযোগ, ছেলের জন্মের পরই তার স্ত্রী ওই শিশুটিকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করে। এখনো সেই প্রয়াস চলছে। দুই পরিবারের ঝামেলা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে নিজের পরিবারকে ধর্মান্তকরণের হাত থেকে বাঁচাতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শিখ যুবক।

