UGC, Education Minister, ইউজিসির নয়া বিধি নিয়ে বিতর্কের ঝড়! কেউ আইনের অপব্যবহার করতে পারবে না, আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

আমাদের ভারত, ২৭ জানুয়ারি: সম্প্রতি সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলিতে চালু হয়েছে ইউজিসি’র নয়া বিধি। সেই বিধির লক্ষ্য সমাজের সমস্ত শ্রেণির জন্য সমান নিরাপদ ও সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা এবং নিশ্চিত করা। কিন্তু এই নয়া আইন ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানিয়ে দিলেন, কেউ আইনের অপব্যবহার করতে পারবে না।

শিক্ষা মন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, কোনো বৈষম্য থাকবে না। কেউ আইনের অপব্যবহার করতে পারবে না। কিন্তু কেন এই নয়া বিধি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে?

এই নতুন প্রমোশন অফ ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন আইন ২০২৬ অনুসারে একাধিক বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম ধর্ম, লিঙ্গ, কিংবা জাতিগত কোনো ধরনের বৈষম্য দূর করা। ইউজিসির দেওয়ার তথ্য অনুসারে পাঁচ বছরে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ ১১৮.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯-২০ সালে যেখানে ১৭৩টি অভিযোগ জমা পড়েছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ সালে অভিযোগের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩৭৮টি।

দেশের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাছে বৈষম্য দূর করার পদক্ষেপটি নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইউজিসি’র নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি সুযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে স্থাপন করতে হবে, যা পুলিশ ও জেলা প্রশাসন স্থানীয় সমাজ মাধ্যম, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে চলবে।

এই নতুন নিয়ম থেকেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়া সহ বেশ কিছু ইউটিউবার দাবি করেছেন, এই আইন আসলে উচ্চ বর্ণ বিরোধী আইন। এমনকি স্বামী আনন্দ স্বরূপ ভিডিওর মাধ্যমে উচ্চ বর্ণের প্রতিনিধিদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। তারপরেই বিতর্ক চরমে উঠেছে। ট্রেন্ডিং হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাশট্যাগ শ্যামন ইউজিসি। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রী আইনের অপব্যবহার হবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিলেন। সমাজের সমস্ত শ্রেণির জন্য সমান নিরাপদ ও সম্মানজনক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করায় এই নয়াবিধির লক্ষ্য বলে আশ্বস্ত করলেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *