অশোক সেনগুপ্ত, আমাদের ভারত, ৭ জানুয়ারি:
এসআইআর-এ আবেদনপত্রে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মায়ের বয়স লেখা হয়েছিল ১৯১৮। আসলে বয়সটা হবে, ১৯১৪। এই বিভ্রাট ‘খুবই অমানবিক…’ বলে স্বীকার করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে দেবে নির্বাচন কমিশন। এর জন্য প্রবীন অর্থনীতিবিদকে কোথাও আসতে হবে না।
এসআইআর-এ অমর্ত্য সেনকে কমিশনের নোটিশ নিয়ে মঙ্গলবার বিকেল থেকে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি নিয়ে জেলার নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে দ্রুত জবাব চাওয়া হয়। বুধবার মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের তরফে জানানো হয়, অমর্ত্য সেনের বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা গীতি কণ্ঠ মজুমদার বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি নোটিশ জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে যে অমর্ত্য সেনের সাথে তার মায়ের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের, কিন্তু অমর্ত্য সেনের মায়ের জন্ম ১৯১৪ সালে।
যখন অমর্ত্য সেনের জন্ম হয়েছিল, তখন তাঁর এবং তাঁর মায়ের বয়সের পার্থক্য ১৯ বছর ৬ মাসের ছিল… কিন্তু সমীক্ষকরা ১৯১৪ সালকে ১৯১৮ সালে পরিবর্তন করে তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছে…”
এই সঙ্গে জানানো হয়েছে, নির্বাচন কমিশন নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে বিডিও অফিসে বয়সের অমিলের একটি মামলায় তথ্য প্রদানের জন্য নোটিশ জারি করেছে। এটা খুবই অমানবিক…”
এই সঙ্গে সিইও দফতরের এক আধিকারিক এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, এটি লজিক্যাল গণনার মাধ্যমে করা হয়। কিন্তু ভোটার তালিকার পিডিএফ স্ক্যান করা কপিগুলিকে কম্পিউটারে পঠনযোগ্য অনুসন্ধানযোগ্য ফাইল (কম্পিউটার রিডেবেল সার্চেবেল ফাইল ভার্সন, সংক্ষেপে CSV) সংস্করণে রূপান্তর করার সময়ে প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে বাংলা ৪ রোমান ৮ হিসাবে পড়া হয়েছে।
সিইও দফতরের বক্তব্য, নামের বানান বা সালের অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য কোনও ভোটদাতা বা আবেদনকারীর তথ্য তাঁর কাছে যাচাই করা যেতেই পারে। নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করতে এরকম যাচাই হয়। তার মানে এই নয় যে তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই অযথা হইচই বাধিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা অর্থহীন।

