সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৩ মার্চ: ঝালদায় গুলি বিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর। বিকেলে রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। মাথা, হাতে, পেটে গুলি লাগে তাঁর। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তপন কান্দুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাঁচি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

ঝালদা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী তপন কান্দু। আজ দুপুরে সস্ত্রীক পুরুলিয়া জেলা দলীয় কার্যালয়ে যান তিনি। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস দলের কাউন্সিলার। বিকেলে বাঘমুন্ডির রাস্তায় ঝালদা শহরের কাছে গোকুলনগর এলাকায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেই সময় আচমকা তিন জন দুষ্কৃতী মোটর সাইকেলে এসে খুব কাছ থেকে তপন বাবুকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোঁড়ে।

এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে বলে দাবি করেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি নেপাল মাহাতো। তিনি বলেন, “জঘন্য রাজনীতির শিকার হলেন তপন। তাঁর প্রাণ পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হল। তিনি ঝালদা পুরসভার কংগ্রেস বোর্ডের চেয়ারম্যান পদের দাবিদার ছিলেন।”
সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। তিনি বলেন, “এর জন্য রাজ্য সরকার ও প্রশাসনকে দায় নিতে হবে। এই ঘটনা পুরুলিয়ায় ছিল না। শাসক দলের মদত রয়েছে। এটা সঠিক তদন্ত করা দরকার।”

ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করে তৃণমূল জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। আমরা এটাকে সমর্থনও করি না। এর তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। কে বা কারা গুলি করেছে, কেনই বা গুলি করেছে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

