ঝালদা পুরসভায় জটিলতা থেকেই গেল

সাথী দাস, পুরুলিয়া, ১৬ জানুয়ারি: ঝালদা পুরসভায় জটিলতা থেকেই গেল। সরকারিভাবে পুরপ্রধান ঘোষণা হল না। ফের শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির উপর নির্ভর করে ঝুলে রইল পুর প্রধানের পদ।

আজ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে পুরপ্রধান নির্বাচন সভা শুরু হয়। নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে বেলা সোয়া এগারটা নাগাদ সভা শুরু হয়। ওই সভার সভাপতি হন কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল। কংগ্রেসের ৬ জন এবং ১ জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রাক্তন পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল সহ তৃণমূল কংগ্রেসের ৫ জন কাউন্সিলর সভায় অংশ নেন। সভাপতি সবার ব্যালট পেপার ইস্যু করেন। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের সুরেশ আগরওয়াল ব্যালট পেপার নেননি। তিনি বলেন, “এই নির্বাচন বেআইনি। তাই ব্যালট পেপার নিলাম না।” নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হতেই তৃণমূল কংগ্রেসের ওই চারজন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে স্থানীয় ঝালদা থানায়, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং পুলিশ সুপারের কাছে মেইল মারফৎ অভিযোগ দায়ের করলেন কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল।

ঝালদা পৌরসভায় পৌরপ্রধান নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হতেই ব্যালট পেপার হাতে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন চারজন তৃণমূল কাউন্সিলর। যদিও ঝালদা পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল এদিনের নির্বাচনের সময় ব্যালট পেপার হাতেই নেননি। বাকি চারজন তৃণমূল কাউন্সিলর যারা ব্যালট পেপার হাতে নিয়েছিলেন তারা ব্যালট পেপার জমা না দিয়ে তা সঙ্গে নিয়েই বাইরে বেরিয়ে আসেন। ওই চারজন তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ঝালদা থানায়, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং পুলিশ সুপারের কাছে মেইল মারফৎ অভিযোগ দায়ের করলেন কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল। তাঁর অভিযোগ, ব্যালট পেপার জমা না দিয়ে বেরিয়ে যান তৃণমূলের চারজন কাউন্সিলর। এটা বেআইনি। ঝালদা থানায় অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলেও মেইল মারফৎ অভিযোগ জানানো হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কংগ্রেস কাউন্সিলর বিপ্লব কয়াল ও নবনির্বাচিত পৌর প্রধান শিলা চ্যাটার্জি।

জেলা শাসক রজত নন্দা বলেন, “আজকের নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তি শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিচার বিভাগীয় থাকায় এর বেশি কিছু বলা যাবে না। তবে, সব কিছু রিপোর্ট ভিডিওগ্রাফি আদালতে জমা করা হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *